প্রকৃতির ভয়াবহ রূপ দেখল হিমালয়ের দেশ নেপাল। দেশটিতে আঘাত হানা আকস্মিক ও প্রলয়ঙ্করী বন্যায় মৃতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
মঙ্গলবার
পর্যন্ত নেপাল পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বন্যায়
১ হাজার ১০ জনের মৃত্যুর
বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। আকস্মিক
এই তাণ্ডবে পুরো দেশজুড়ে চরম
মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে এবং
সর্বত্র শোকের মাতম চলছে।
পুলিশ
জানিয়েছে, ভোটেরোশি ও ত্রিশুলি নদীর
আকস্মিক উজান ঢলে এবং
পাহাড়ি ঢলের তোড়ে সবকিছু
ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। এখনো
বিপুলসংখ্যক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের সন্ধানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জোরেশোরে উদ্ধার ও অনুসন্ধান কার্যক্রম
চালিয়ে যাচ্ছেন নিরাপত্তা কর্মীরা।
রাসুওয়া
থেকে শুরু করে নওয়ালপরাসি
পশ্চিম পর্যন্ত মোট আটটি জেলায়
ধ্বংসলীলার চিহ্ন ও মরদেহ পাওয়া
গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে
বেশি ৩২০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে চিতওয়ান
জেলা থেকে। এছাড়া নওয়ালপরাসি পূর্বে ২১৬টি এবং নওয়ালপরাসি পশ্চিমে
১৬৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পরিসংখ্যান
বলছে, রাসুওয়ায় ৩৮টি, নুয়াকোটে ১০৩টি, ধাদিংয়ে ৫৬টি, গোরখায় ৬৫টি এবং তানাহুনে
৩৮টি মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। ভয়ংকর এই বন্যার স্রোত
এতটাই তীব্র ছিল যে, নারায়ণী
নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়া অন্তত
পাঁচটি মরদেহ প্রতিবেশি দেশ ভারতের ভূখণ্ড
থেকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে
পরিস্থিতি আরও জটিল করে
তুলেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সতর্কতা। নেপালে আবারও হিমবাহ ধসে পড়ার আশঙ্কার
কথা জানিয়েছে চীন।
এর মধ্যেই আবার বন্যার পর
সুড়ঙ্গের ভেতরে নয়শতাধিক শ্রমিক আটকা পড়ার আশঙ্কা
তৈরি হয়েছে, যা উদ্ধারকর্মীদের কাজের
চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
নিখোঁজদের
স্বজনদের অপেক্ষা আর আহাজারিতে এখন
ভারী হয়ে উঠেছে নেপালের
বাতাস। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো
হয়েছে, নিখোঁজদের উদ্ধারে এবং দুর্গত এলাকায়
ত্রাণ পৌঁছে দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা
চালিয়ে যাচ্ছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকৃতির ভয়াবহ রূপ দেখল হিমালয়ের দেশ নেপাল। দেশটিতে আঘাত হানা আকস্মিক ও প্রলয়ঙ্করী বন্যায় মৃতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
মঙ্গলবার
পর্যন্ত নেপাল পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বন্যায়
১ হাজার ১০ জনের মৃত্যুর
বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। আকস্মিক
এই তাণ্ডবে পুরো দেশজুড়ে চরম
মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে এবং
সর্বত্র শোকের মাতম চলছে।
পুলিশ
জানিয়েছে, ভোটেরোশি ও ত্রিশুলি নদীর
আকস্মিক উজান ঢলে এবং
পাহাড়ি ঢলের তোড়ে সবকিছু
ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। এখনো
বিপুলসংখ্যক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের সন্ধানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জোরেশোরে উদ্ধার ও অনুসন্ধান কার্যক্রম
চালিয়ে যাচ্ছেন নিরাপত্তা কর্মীরা।
রাসুওয়া
থেকে শুরু করে নওয়ালপরাসি
পশ্চিম পর্যন্ত মোট আটটি জেলায়
ধ্বংসলীলার চিহ্ন ও মরদেহ পাওয়া
গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে
বেশি ৩২০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে চিতওয়ান
জেলা থেকে। এছাড়া নওয়ালপরাসি পূর্বে ২১৬টি এবং নওয়ালপরাসি পশ্চিমে
১৬৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পরিসংখ্যান
বলছে, রাসুওয়ায় ৩৮টি, নুয়াকোটে ১০৩টি, ধাদিংয়ে ৫৬টি, গোরখায় ৬৫টি এবং তানাহুনে
৩৮টি মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। ভয়ংকর এই বন্যার স্রোত
এতটাই তীব্র ছিল যে, নারায়ণী
নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়া অন্তত
পাঁচটি মরদেহ প্রতিবেশি দেশ ভারতের ভূখণ্ড
থেকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে
পরিস্থিতি আরও জটিল করে
তুলেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সতর্কতা। নেপালে আবারও হিমবাহ ধসে পড়ার আশঙ্কার
কথা জানিয়েছে চীন।
এর মধ্যেই আবার বন্যার পর
সুড়ঙ্গের ভেতরে নয়শতাধিক শ্রমিক আটকা পড়ার আশঙ্কা
তৈরি হয়েছে, যা উদ্ধারকর্মীদের কাজের
চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
নিখোঁজদের
স্বজনদের অপেক্ষা আর আহাজারিতে এখন
ভারী হয়ে উঠেছে নেপালের
বাতাস। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো
হয়েছে, নিখোঁজদের উদ্ধারে এবং দুর্গত এলাকায়
ত্রাণ পৌঁছে দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা
চালিয়ে যাচ্ছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন