সংবাদ

দুর্যোগের প্রভা‌বে বাংলাদেশে বন্ধ হ‌লো নেপালের বিদ্যুৎ সরবরাহ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩১ পিএম

দুর্যোগের প্রভা‌বে বাংলাদেশে বন্ধ হ‌লো নেপালের বিদ্যুৎ সরবরাহ

ভয়াবহ বন্যায় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে নেপাল। ফলে ভারতের সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে দেশটি থেকে যে বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসছিল, তা আপাতত পুরোপুরি স্থাগিত রয়েছে।

আজ শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য থেকে এ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

​পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি জানায়, গত ২৭ আগস্ট ডে পিকে নেপাল থেকে ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ এলেও ওইদিন সন্ধ্যা পিকের পর থেকে নতুন করে আর কোনো বিদ্যুৎ আসেনি। মূলত এর পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

​এর আগে নেপালের সংবাদমাধ্যম দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৬ আগস্ট নেপালের ভোটেকোশি নদী এলাকায় ভয়াবহ বন্যা আঘাত হানে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের কারণে ওই অঞ্চলের একাধিক জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত ও বন্ধ হয়ে যায়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ রপ্তানির ওপর। বিশেষ করে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য অনুমোদন পাওয়া ২২ দশমিক ১ মেগাওয়াট ক্ষমতার চিলিমে এবং ২৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার ত্রিশূলী জলবিদ্যুৎ প্রকল্প জোড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গত সপ্তাহ থেকেই উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।

​সাধারণত বর্ষা মৌসুমে নেপাল আঞ্চলিক বাজারে গড়ে প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করে আসছিল, যা সম্প্রতি কমে প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছিল। বহু বছর ধরে শীত মৌসুমে বিদ্যুৎ আমদানির ওপর নির্ভরশীল থাকা নেপাল যখন দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের আঞ্চলিক বিদ্যুৎ রপ্তানিকারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চালাচ্ছিল, ঠিক তখনই এই হঠাৎ প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেশটির বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে বড় ধরনের ধাক্কা দিল।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬


দুর্যোগের প্রভা‌বে বাংলাদেশে বন্ধ হ‌লো নেপালের বিদ্যুৎ সরবরাহ

প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ভয়াবহ বন্যায় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে নেপাল। ফলে ভারতের সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে দেশটি থেকে যে বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসছিল, তা আপাতত পুরোপুরি স্থাগিত রয়েছে।

আজ শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য থেকে এ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

​পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি জানায়, গত ২৭ আগস্ট ডে পিকে নেপাল থেকে ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ এলেও ওইদিন সন্ধ্যা পিকের পর থেকে নতুন করে আর কোনো বিদ্যুৎ আসেনি। মূলত এর পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

​এর আগে নেপালের সংবাদমাধ্যম দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৬ আগস্ট নেপালের ভোটেকোশি নদী এলাকায় ভয়াবহ বন্যা আঘাত হানে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের কারণে ওই অঞ্চলের একাধিক জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত ও বন্ধ হয়ে যায়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ রপ্তানির ওপর। বিশেষ করে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য অনুমোদন পাওয়া ২২ দশমিক ১ মেগাওয়াট ক্ষমতার চিলিমে এবং ২৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার ত্রিশূলী জলবিদ্যুৎ প্রকল্প জোড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গত সপ্তাহ থেকেই উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।

​সাধারণত বর্ষা মৌসুমে নেপাল আঞ্চলিক বাজারে গড়ে প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করে আসছিল, যা সম্প্রতি কমে প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছিল। বহু বছর ধরে শীত মৌসুমে বিদ্যুৎ আমদানির ওপর নির্ভরশীল থাকা নেপাল যখন দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের আঞ্চলিক বিদ্যুৎ রপ্তানিকারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চালাচ্ছিল, ঠিক তখনই এই হঠাৎ প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেশটির বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে বড় ধরনের ধাক্কা দিল।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত