ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক যুবক নিহতের ঘটনায় প্রতিপক্ষের বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। হামলার ভয়ে ও গ্রেপ্তার এড়াতে পুরো এলাকা এখন প্রায় পুরুষশূন্য। এমনকি নারী ও শিশুদের নিয়ে অনেক পরিবার তল্পিতল্পা গুটিয়ে গ্রাম ছেড়ে পালাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুড়িশ্বর গ্রামের খালেক মিয়ার সঙ্গে দ্বীন ইসলাম মিয়ার জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ। এ নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে। এরই জেরে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধে। এতে নাজিব উল্লাহ (২৮) নামের এক যুবক নিহত হন। নাজিবের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন প্রতিপক্ষের বাড়িতে চড়াও হয়।
সরেজমিনে গ্রামে গিয়ে দেখা যায় এক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র। পথে পথে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ভাঙা কাচ ও লন্ডভন্ড আসবাবপত্র। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, নিহতের পরিবারের লোকজনের নেতৃত্বে দফায় দফায় অন্তত ১৫টি বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়েছে। ঘরের মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে হামলাকারীরা। ভয়ে কোনো পুরুষ বাড়িতে থাকতে পারছেন না। এমনকি নিরাপত্তাহীনতায় গ্রাম ছাড়ছেন নারী ও শিশুরাও।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত নাসিরনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহান আলী জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধে একজন নিহত হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত ছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে রাতের অন্ধকারে কিছু বাড়িতে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক যুবক নিহতের ঘটনায় প্রতিপক্ষের বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। হামলার ভয়ে ও গ্রেপ্তার এড়াতে পুরো এলাকা এখন প্রায় পুরুষশূন্য। এমনকি নারী ও শিশুদের নিয়ে অনেক পরিবার তল্পিতল্পা গুটিয়ে গ্রাম ছেড়ে পালাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুড়িশ্বর গ্রামের খালেক মিয়ার সঙ্গে দ্বীন ইসলাম মিয়ার জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ। এ নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে। এরই জেরে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধে। এতে নাজিব উল্লাহ (২৮) নামের এক যুবক নিহত হন। নাজিবের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন প্রতিপক্ষের বাড়িতে চড়াও হয়।
সরেজমিনে গ্রামে গিয়ে দেখা যায় এক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র। পথে পথে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ভাঙা কাচ ও লন্ডভন্ড আসবাবপত্র। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, নিহতের পরিবারের লোকজনের নেতৃত্বে দফায় দফায় অন্তত ১৫টি বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়েছে। ঘরের মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে হামলাকারীরা। ভয়ে কোনো পুরুষ বাড়িতে থাকতে পারছেন না। এমনকি নিরাপত্তাহীনতায় গ্রাম ছাড়ছেন নারী ও শিশুরাও।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত নাসিরনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহান আলী জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধে একজন নিহত হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত ছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে রাতের অন্ধকারে কিছু বাড়িতে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন