ঢাকার দোহার উপজেলার বিভিন্ন সড়কে পুলিশের তল্লাশিচৌকি (চেকপোস্ট) নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এসব চেকপোস্টে কেবল মোটরসাইকেল আরোহীদেরই থামানো হচ্ছে এবং কাগজপত্র যাচাইয়ের নামে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে টাকা আদায়েরও অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে সমালোচনা করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, উপজেলার বাসতলা পয়েন্ট, করিম আলীর মোড় ও থানা মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে নিয়মিত মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয়। অথচ একই সড়ক দিয়ে অন্যান্য যানবাহন চলাচল করলেও সেগুলোকে খুব একটা থামানো হয় না। মোটরসাইকেল থামিয়ে দীর্ঘ সময় দাঁড় করিয়ে রাখায় গন্তব্যে পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে বলে অভিযোগ চালকদের।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বাসিন্দা প্রশ্ন তোলেন, ‘দোহারের সড়কে কি শুধু মোটরসাইকেলই চলে?’ তিনি অভিযোগ করেন, গ্রামের সড়কে চলাচলের সময় সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখা সব সময় সম্ভব হয় না। এই সুযোগে পুলিশের পক্ষ থেকে হয়রানি করা হয়। এমনকি ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ‘মীমাংসা’ করারও অভিযোগ উঠেছে। তবে এই লেনদেনের পক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দা মো. হাসান বলেন, ‘আমার নতুন গাড়ি, শোরুমের কাগজ আছে। ড্রাইভিং লাইসেন্স ও হেলমেট থাকার পরও আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা রাখা হয়েছে। সড়কে আইন প্রয়োগ হবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু আইনের নামে এই হয়রানি করবে কেন?’
মো. শামীম হোসেন নামের আরেকজন বলেন, ‘কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও মাঝেমধ্যেই হয়রানির শিকার হতে হয়। চেকপোস্টের দরকার আছে, কিন্তু সেটা যেন অনিয়মের কারণ না হয়। যদি টাকা লেনদেনের অভিযোগ সত্য হয়, তবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’
এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু বকর সিদ্দিক জানান, বিষয়টি ট্রাফিক পুলিশের আওতাধীন। তবে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহনই তল্লাশি করা হচ্ছে।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকার দোহার উপজেলার বিভিন্ন সড়কে পুলিশের তল্লাশিচৌকি (চেকপোস্ট) নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এসব চেকপোস্টে কেবল মোটরসাইকেল আরোহীদেরই থামানো হচ্ছে এবং কাগজপত্র যাচাইয়ের নামে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে টাকা আদায়েরও অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে সমালোচনা করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, উপজেলার বাসতলা পয়েন্ট, করিম আলীর মোড় ও থানা মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে নিয়মিত মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয়। অথচ একই সড়ক দিয়ে অন্যান্য যানবাহন চলাচল করলেও সেগুলোকে খুব একটা থামানো হয় না। মোটরসাইকেল থামিয়ে দীর্ঘ সময় দাঁড় করিয়ে রাখায় গন্তব্যে পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে বলে অভিযোগ চালকদের।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বাসিন্দা প্রশ্ন তোলেন, ‘দোহারের সড়কে কি শুধু মোটরসাইকেলই চলে?’ তিনি অভিযোগ করেন, গ্রামের সড়কে চলাচলের সময় সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখা সব সময় সম্ভব হয় না। এই সুযোগে পুলিশের পক্ষ থেকে হয়রানি করা হয়। এমনকি ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ‘মীমাংসা’ করারও অভিযোগ উঠেছে। তবে এই লেনদেনের পক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দা মো. হাসান বলেন, ‘আমার নতুন গাড়ি, শোরুমের কাগজ আছে। ড্রাইভিং লাইসেন্স ও হেলমেট থাকার পরও আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা রাখা হয়েছে। সড়কে আইন প্রয়োগ হবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু আইনের নামে এই হয়রানি করবে কেন?’
মো. শামীম হোসেন নামের আরেকজন বলেন, ‘কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও মাঝেমধ্যেই হয়রানির শিকার হতে হয়। চেকপোস্টের দরকার আছে, কিন্তু সেটা যেন অনিয়মের কারণ না হয়। যদি টাকা লেনদেনের অভিযোগ সত্য হয়, তবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’
এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু বকর সিদ্দিক জানান, বিষয়টি ট্রাফিক পুলিশের আওতাধীন। তবে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহনই তল্লাশি করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন