যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় অ্যামাজনের একটি কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে পুয়ের্তো রিকোর সান হুয়ান থেকে আসা বোয়িং ৭৬৭-৩০০ মডেলের বিমানটি রানওয়েতে থামতে ব্যর্থ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানিয়েছে, বিমানটি নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে রানওয়ের বাইরে চলে যায় এবং সড়কে থাকা বেশ কয়েকটি যানবাহনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বিমানটিতে দ্রুত আগুন ধরে যায়।
মিয়ামি-ডেড ফায়ার রেসকিউয়ের তথ্যমতে, উদ্ধারকাজে ৬০টির বেশি ইউনিট অংশ নেয়। অগ্নিনির্বাপণ কর্মীরা বিমানে আটকে পড়া পাইলট ও কো-পাইলট এবং ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনের ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধারে তৎপরতা চালান। আহত পাঁচজনের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মিয়ামি-ডেড কাউন্টির মেয়র দানিয়েলা লেভিন কাভা এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রাণহানির ঘটনা নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে অ্যামাজনের মুখপাত্র কেলি ন্যানটেল জানিয়েছেন, বিমানটি ‘২১ এয়ার’ নামক একটি সংস্থা পরিচালনা করছিল। দুর্ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অ্যামাজন কাজ করছে বলেও তিনি জানান।
দুর্ঘটনার পর মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। দেশটির পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি যাত্রীদের দীর্ঘ বিলম্বের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি ৩২ বছরের পুরনো। ২০১৫ সালে এটিকে যাত্রীবাহী থেকে কার্গো বিমানে রূপান্তর করা হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
/

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় অ্যামাজনের একটি কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে পুয়ের্তো রিকোর সান হুয়ান থেকে আসা বোয়িং ৭৬৭-৩০০ মডেলের বিমানটি রানওয়েতে থামতে ব্যর্থ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানিয়েছে, বিমানটি নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে রানওয়ের বাইরে চলে যায় এবং সড়কে থাকা বেশ কয়েকটি যানবাহনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বিমানটিতে দ্রুত আগুন ধরে যায়।
মিয়ামি-ডেড ফায়ার রেসকিউয়ের তথ্যমতে, উদ্ধারকাজে ৬০টির বেশি ইউনিট অংশ নেয়। অগ্নিনির্বাপণ কর্মীরা বিমানে আটকে পড়া পাইলট ও কো-পাইলট এবং ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনের ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধারে তৎপরতা চালান। আহত পাঁচজনের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মিয়ামি-ডেড কাউন্টির মেয়র দানিয়েলা লেভিন কাভা এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রাণহানির ঘটনা নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে অ্যামাজনের মুখপাত্র কেলি ন্যানটেল জানিয়েছেন, বিমানটি ‘২১ এয়ার’ নামক একটি সংস্থা পরিচালনা করছিল। দুর্ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অ্যামাজন কাজ করছে বলেও তিনি জানান।
দুর্ঘটনার পর মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। দেশটির পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি যাত্রীদের দীর্ঘ বিলম্বের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি ৩২ বছরের পুরনো। ২০১৫ সালে এটিকে যাত্রীবাহী থেকে কার্গো বিমানে রূপান্তর করা হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
/

আপনার মতামত লিখুন