ভারতের ওডিশা উপকূলে জাহাজডুবির ঘটনায় ১৫ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন সাতক্ষীরার মেরিন ইঞ্জিনিয়ার আবদুল্লাহ আল মামুন। গত ২০ আগস্টের পর থেকে তার আর কোনো খোঁজ মিলছে না। প্রিয়জনের ফেরার অপেক্ষায় উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে মামুনের পরিবার ও তার দুই শিশুসন্তানের।
নিখোঁজ আবদুল্লাহ আল মামুন সাতক্ষীরা পৌরসভার আমতলা এলাকার ডা. আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি পানামার পতাকাবাহী ‘এমভি ওশান উইনার’ জাহাজে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সর্বশেষ পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছিল মামুনের। এরপর ২২ আগস্ট দুপুরে অন্য একটি মাধ্যমে তার জাহাজডুবির খবর পৌঁছায় বাড়িতে। এরপর থেকেই অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তার মা-বাবা, স্ত্রী ও সন্তানদের। মামুনের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে মারিফুল জান্নাত ও তিন বছরের ছেলে মোয়াজ আবদুল্লাহ এখনো বাবার ভিডিও কলের অপেক্ষায় ফোনের দিকে চেয়ে থাকে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মামুনের বাবা ডা. আব্দুর রহিম বলেন, ‘ছেলে সমুদ্রে থাকলেও নিয়মিত যোগাযোগ হতো। জাহাজটা ডুবে যাওয়ার পর সে বেঁচে আছে কি না, সে খবরটুকুও পাচ্ছি না। দ্রুত আমার ছেলেকে উদ্ধারের জন্য সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাই।’
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাওসার আজিজ জানান, নিখোঁজ ইঞ্জিনিয়ারের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। প্রবাসী কল্যাণ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের উদ্ধারকারী দল ও কূটনৈতিক পর্যায়ে সমন্বয় করা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামুনের সন্ধান পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আপনার মতামত লিখুন