নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন ঐতিহাসিক ডাকবাংলোটি দীর্ঘ দিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়া এই স্থাপনাটি এখন পরিত্যক্ত ঘোষণা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নতুন করে জমি না খুঁজে বিদ্যমান ৯ দশমিক ৪৪ শতক জায়গাতেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন একটি নতুন ডাকবাংলো নির্মাণ করা হোক।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, পুরোনো এই ভবনটি সংস্কারের অযোগ্য হয়ে পড়ায় এটি পরিত্যক্ত ঘোষণার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এদিকে পলাশ উপজেলায় একটি নতুন ডাকবাংলো নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে দুই কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, ঘোড়াশাল ডাকবাংলোটি সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এটি ধ্বংসের মুখে পড়লেও এর অবস্থান বেশ সুবিধাজনক। বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে অন্য কোথাও ভবন নির্মাণ না করে এখানেই নতুন ভবন করলে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি নতুন করে জমি খোঁজা বা অধিগ্রহণের ঝামেলাও থাকবে না।
নরসিংদী জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী নূর-ই-ইলহাম বলেন, 'ঘোড়াশাল ডাকবাংলোটি অনেক পুরোনো। বারবার সংস্কার করার পরও এটি এখন আর ব্যবহারের অবস্থায় নেই। আমরা এটি পরিত্যক্ত ঘোষণার জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি। পলাশ নির্বাচনি এলাকাটি যেহেতু বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের, তাই আমরা তার সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।' তিনি আরও জানান, নতুন ডাকবাংলোর জন্য দুই কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা আশা করছেন, কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ঐতিহাসিক এই জায়গার ঐতিহ্য রক্ষা করবে এবং পলাশের সরকারি আবাসন সংকট দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন ঐতিহাসিক ডাকবাংলোটি দীর্ঘ দিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়া এই স্থাপনাটি এখন পরিত্যক্ত ঘোষণা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নতুন করে জমি না খুঁজে বিদ্যমান ৯ দশমিক ৪৪ শতক জায়গাতেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন একটি নতুন ডাকবাংলো নির্মাণ করা হোক।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, পুরোনো এই ভবনটি সংস্কারের অযোগ্য হয়ে পড়ায় এটি পরিত্যক্ত ঘোষণার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এদিকে পলাশ উপজেলায় একটি নতুন ডাকবাংলো নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে দুই কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, ঘোড়াশাল ডাকবাংলোটি সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এটি ধ্বংসের মুখে পড়লেও এর অবস্থান বেশ সুবিধাজনক। বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে অন্য কোথাও ভবন নির্মাণ না করে এখানেই নতুন ভবন করলে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি নতুন করে জমি খোঁজা বা অধিগ্রহণের ঝামেলাও থাকবে না।
নরসিংদী জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী নূর-ই-ইলহাম বলেন, 'ঘোড়াশাল ডাকবাংলোটি অনেক পুরোনো। বারবার সংস্কার করার পরও এটি এখন আর ব্যবহারের অবস্থায় নেই। আমরা এটি পরিত্যক্ত ঘোষণার জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি। পলাশ নির্বাচনি এলাকাটি যেহেতু বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের, তাই আমরা তার সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।' তিনি আরও জানান, নতুন ডাকবাংলোর জন্য দুই কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা আশা করছেন, কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ঐতিহাসিক এই জায়গার ঐতিহ্য রক্ষা করবে এবং পলাশের সরকারি আবাসন সংকট দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন