ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে
তিন শিক্ষার্থীকে ধারাবাহিকভাবে বলাৎকারের অভিযোগে আবুল বাশার (৩৩) নামের এক মাদ্রাসা
শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবার দায়ের
করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযুক্ত আবুল বাশার
কোটচাঁদপুর উপজেলার হরিন্দিয়া গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলামের ছেলে। তিনি পৌরসভার দুধসর
এলাকায় অবস্থিত ‘দারুল উলুম মাদ্রাসা’র প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ভুক্তভোগী
তিন শিক্ষার্থী ওই মাদ্রাসারই আবাসিক ছাত্র।
পুলিশ ও স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে মাদ্রাসার ওই তিন ছাত্রকে ধারাবাহিকভাবে বলাৎকার
করে আসছিলেন প্রধান শিক্ষক আবুল বাশার। গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক শিক্ষার্থীর দাদা
মাদ্রাসায় তার নাতির সঙ্গে দেখা করতে গেলে শিশুটি কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং সব ঘটনা খুলে
বলে। বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান তিনি। পরে বিক্ষুব্ধ স্বজন ও এলাকাবাসী
সন্ধ্যায় মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে
পৌঁছে ওই শিক্ষককে আটক করে।
কোটচাঁদপুর থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ‘ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবার অভিযোগের
ভিত্তিতে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তল্লাশির সময় তার কক্ষ থেকে বেশ কিছু যৌন
উত্তেজক ভেষজ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতের
মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’
সন্তানদের নিরাপত্তার
প্রশ্নে উদ্বেগ প্রকাশ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক বলেন, ‘শিক্ষকের কাছে
সন্তানরা নিরাপদ না থাকলে আমরা কোথায় যাব? আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি চাই।’

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে
তিন শিক্ষার্থীকে ধারাবাহিকভাবে বলাৎকারের অভিযোগে আবুল বাশার (৩৩) নামের এক মাদ্রাসা
শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবার দায়ের
করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযুক্ত আবুল বাশার
কোটচাঁদপুর উপজেলার হরিন্দিয়া গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলামের ছেলে। তিনি পৌরসভার দুধসর
এলাকায় অবস্থিত ‘দারুল উলুম মাদ্রাসা’র প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ভুক্তভোগী
তিন শিক্ষার্থী ওই মাদ্রাসারই আবাসিক ছাত্র।
পুলিশ ও স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে মাদ্রাসার ওই তিন ছাত্রকে ধারাবাহিকভাবে বলাৎকার
করে আসছিলেন প্রধান শিক্ষক আবুল বাশার। গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক শিক্ষার্থীর দাদা
মাদ্রাসায় তার নাতির সঙ্গে দেখা করতে গেলে শিশুটি কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং সব ঘটনা খুলে
বলে। বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান তিনি। পরে বিক্ষুব্ধ স্বজন ও এলাকাবাসী
সন্ধ্যায় মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে
পৌঁছে ওই শিক্ষককে আটক করে।
কোটচাঁদপুর থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ‘ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবার অভিযোগের
ভিত্তিতে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তল্লাশির সময় তার কক্ষ থেকে বেশ কিছু যৌন
উত্তেজক ভেষজ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতের
মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’
সন্তানদের নিরাপত্তার
প্রশ্নে উদ্বেগ প্রকাশ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক বলেন, ‘শিক্ষকের কাছে
সন্তানরা নিরাপদ না থাকলে আমরা কোথায় যাব? আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি চাই।’

আপনার মতামত লিখুন