ইতালির ভেনিসে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর কোল্ড ড্রিংকস ও পানি ছুড়ে মারা এবং তাকে শারীরিক ও মৌখিকভাবে হেনস্তা করার ন্যক্কারজনক ঘটনায় জাতীয় সংসদে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের শুরুতেই পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এই ঘটনার কঠোর নিন্দা জানান বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জহরত আদিব চৌধুরী।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার পর তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি তুলে ধরেন।
জহরত আদিব চৌধুরী সংসদকে জানান, বিষয়টি হয়তো প্রচলিত পয়েন্ট অব অর্ডারের মধ্যে পড়ে না, কিন্তু এটি বাংলাদেশের মানুষের সম্মান ও নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি বিষয়।
তিনি উল্লেখ করেন, অভিনেত্রী বাঁধন চলচ্চিত্র-সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ইতালি গিয়ে পরিবারের সদস্য ও ছোট সন্তানকে নিয়ে একটি পার্কে হাঁটার সময় এই হামলার শিকার হন। হামলাকারীরা তাকে শারীরিকভাবে আক্রমণ ও অত্যন্ত খারাপ ভাষায় মৌখিকভাবে হেনস্তা করে।
মূলত ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাধারণ মানুষের পক্ষে সক্রিয় অবস্থান নেওয়ার কারণেই তার ওপর এই ক্ষোভ ঝাড়া হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, যারা এই কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে, তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করে প্রমাণ করেছে যে তারা প্রবাসেও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে পারে।
ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হামলাকারীদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। পাশাপাশি, ইতালি সরকার ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে অবিলম্বে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চান এই নারী সংসদ সদস্য।
এ সময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কোনো মন্ত্রী এই মুহূর্তে সংসদে উপস্থিত নেই। তবে সংসদের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে সরকারের জোরালো ভূমিকার দাবি জানানো হয়।
জবাবে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের কাছে বিষয়টি অত্যন্ত অমার্জনীয় ও অপরাধের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে গণ্য হয়। তিনি জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীরা সংসদে উপস্থিত হলে এ বিষয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য শোনা হবে এবং অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইতালির ভেনিসে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর কোল্ড ড্রিংকস ও পানি ছুড়ে মারা এবং তাকে শারীরিক ও মৌখিকভাবে হেনস্তা করার ন্যক্কারজনক ঘটনায় জাতীয় সংসদে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের শুরুতেই পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এই ঘটনার কঠোর নিন্দা জানান বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জহরত আদিব চৌধুরী।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার পর তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি তুলে ধরেন।
জহরত আদিব চৌধুরী সংসদকে জানান, বিষয়টি হয়তো প্রচলিত পয়েন্ট অব অর্ডারের মধ্যে পড়ে না, কিন্তু এটি বাংলাদেশের মানুষের সম্মান ও নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি বিষয়।
তিনি উল্লেখ করেন, অভিনেত্রী বাঁধন চলচ্চিত্র-সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ইতালি গিয়ে পরিবারের সদস্য ও ছোট সন্তানকে নিয়ে একটি পার্কে হাঁটার সময় এই হামলার শিকার হন। হামলাকারীরা তাকে শারীরিকভাবে আক্রমণ ও অত্যন্ত খারাপ ভাষায় মৌখিকভাবে হেনস্তা করে।
মূলত ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাধারণ মানুষের পক্ষে সক্রিয় অবস্থান নেওয়ার কারণেই তার ওপর এই ক্ষোভ ঝাড়া হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, যারা এই কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে, তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করে প্রমাণ করেছে যে তারা প্রবাসেও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে পারে।
ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হামলাকারীদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। পাশাপাশি, ইতালি সরকার ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে অবিলম্বে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চান এই নারী সংসদ সদস্য।
এ সময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কোনো মন্ত্রী এই মুহূর্তে সংসদে উপস্থিত নেই। তবে সংসদের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে সরকারের জোরালো ভূমিকার দাবি জানানো হয়।
জবাবে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের কাছে বিষয়টি অত্যন্ত অমার্জনীয় ও অপরাধের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে গণ্য হয়। তিনি জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীরা সংসদে উপস্থিত হলে এ বিষয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য শোনা হবে এবং অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন