ফেনীতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত জেলায় ৩১৭ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের (১২১ জন) তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এরই মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গোলাম সারোয়ার টিপু নামে শহরের মিজান রোডের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আগস্ট মাসে সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি ছিল; এ এক মাসেই শনাক্ত হন ১৪৫ জন। জেলাজুড়ে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ফেনী সদর উপজেলায় (২০৪ জন)। এ ছাড়া দাগনভূঞায় ৪০, সোনাগাজীতে ৩১, ছাগলনাইয়ায় ২১, ফুলগাজীতে ১১ ও পরশুরামে ১০ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৪১টি নমুনা পরীক্ষায় আরও ১২ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ১৩ জন এবং ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন চিকিৎসাধীন। সব মিলিয়ে চলতি বছরের সংক্রমণের চিত্র উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তিসচেতনতা ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর জোর দিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. মো. আরিফুজ্জামান। তিনি জানান, পরীক্ষা চালানোর জন্য জেলায় ১ হাজার ৫৩০টি কিট মজুত রয়েছে।
অন্যদিকে, শহরে মশার উপদ্রব বাড়ায় স্থানীয়দের ক্ষোভ রয়েছে। তবে ফেনী পৌরসভার মেডিকেল অফিসার ডা. কৃষ্ণ পদ সাহা জানান, ১৮টি ওয়ার্ডে সপ্তাহে দুই দিন মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে এবং ড্রেন পরিষ্কারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফেনীতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত জেলায় ৩১৭ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের (১২১ জন) তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এরই মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গোলাম সারোয়ার টিপু নামে শহরের মিজান রোডের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আগস্ট মাসে সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি ছিল; এ এক মাসেই শনাক্ত হন ১৪৫ জন। জেলাজুড়ে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ফেনী সদর উপজেলায় (২০৪ জন)। এ ছাড়া দাগনভূঞায় ৪০, সোনাগাজীতে ৩১, ছাগলনাইয়ায় ২১, ফুলগাজীতে ১১ ও পরশুরামে ১০ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৪১টি নমুনা পরীক্ষায় আরও ১২ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ১৩ জন এবং ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন চিকিৎসাধীন। সব মিলিয়ে চলতি বছরের সংক্রমণের চিত্র উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তিসচেতনতা ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর জোর দিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. মো. আরিফুজ্জামান। তিনি জানান, পরীক্ষা চালানোর জন্য জেলায় ১ হাজার ৫৩০টি কিট মজুত রয়েছে।
অন্যদিকে, শহরে মশার উপদ্রব বাড়ায় স্থানীয়দের ক্ষোভ রয়েছে। তবে ফেনী পৌরসভার মেডিকেল অফিসার ডা. কৃষ্ণ পদ সাহা জানান, ১৮টি ওয়ার্ডে সপ্তাহে দুই দিন মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে এবং ড্রেন পরিষ্কারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন