জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্যবাহী কনটেইনার চুরির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের উত্তর কৈগ্রামের মো. মোরশেদ আলম (৩১) এবং পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মো. সাইদুর রহমান (৫১)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ আগস্ট সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তরের এফসিএল সেকশনে কর্মরত অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সহযোগীদের সঙ্গে যোগসাজশে জালিয়াতির আশ্রয় নেন। তারা নথিপত্র ও স্বাক্ষর জাল করে ‘অন-ডেট’ এবং ‘অন-চেসিস’ অ্যাসাইনমেন্টের ভুয়া কপি তৈরি করেন, যা দেখতে একদম আসল কপির মতো। এরপর ওই জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে পণ্যসহ একটি কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দরের ১ নম্বর গেট দিয়ে বের করে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় বন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম জানান, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সহায়তায় টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তরের সামনে থেকে মোরশেদ ও সাইদুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্যবাহী কনটেইনার চুরির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের উত্তর কৈগ্রামের মো. মোরশেদ আলম (৩১) এবং পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মো. সাইদুর রহমান (৫১)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ আগস্ট সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তরের এফসিএল সেকশনে কর্মরত অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সহযোগীদের সঙ্গে যোগসাজশে জালিয়াতির আশ্রয় নেন। তারা নথিপত্র ও স্বাক্ষর জাল করে ‘অন-ডেট’ এবং ‘অন-চেসিস’ অ্যাসাইনমেন্টের ভুয়া কপি তৈরি করেন, যা দেখতে একদম আসল কপির মতো। এরপর ওই জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে পণ্যসহ একটি কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দরের ১ নম্বর গেট দিয়ে বের করে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় বন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম জানান, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সহায়তায় টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তরের সামনে থেকে মোরশেদ ও সাইদুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন