সংবাদ

পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার আহ্বান মঈন খানের


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম

পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার আহ্বান মঈন খানের

অন্যায়, অত্যাচার ও জুলুমের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চায় মনোনিবেশ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী আবদুল মঈন খান।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্ব তুলে ধরেন।
​সভায় দেশের ক্রান্তিকালে শিক্ষার্থীদের অবদানের কথা স্মরণ করে মঈন খান বলেন, ‘দেশের যেকোনো সংকটে ছাত্রসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। অতীতেও ছাত্ররা দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিকালে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বিশেষ করে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রসমাজ দেশকে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে। স্বৈরশাসন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের এই ভূমিকা জাতি চিরকাল স্মরণ রাখবে।’
​তবে রাজপথে আন্দোলনের পাশাপাশি শিক্ষাজীবন বজায় রাখার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ছাত্রদের এই দায়িত্ব পালন করতে হবে লেখাপড়া বাদ দিয়ে নয়। দেশ ও সমাজের প্রয়োজনে তারা রাজপথে নামবে, কিন্তু কোনোভাবেই শিক্ষাজীবন ও জ্ঞানচর্চা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে না। শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও পড়াশোনার দায়িত্বও যথাযথভাবে পালন করতে হবে।’
​বই পড়ার গুরুত্ব এবং প্রযুক্তির যুগে পাঠ্যাভ্যাস ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, বই ও পাঠাগার একজন শিক্ষার্থীর জীবনের অমূল্য সম্পদ। প্রযুক্তির এই যুগে নতুন প্রজন্ম মোবাইল ফোনে পড়ুক, ই-বুকে পড়ুক কিংবা প্রচলিত কাগজে ছাপা বই পড়ুক—পড়ার চর্চা কোনোভাবেই হারিয়ে ফেলা যাবে না। কারণ শিক্ষা ও জ্ঞান ছাড়া কোনো জাতি বিশ্বে গৌরব অর্জন করতে পারে না।
​বিএনপির শীর্ষ নেতাদের অবদানের কথা উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, ‘শৃঙ্খলা, সচেতনতা ও জনসেবা—এই তিনটি গুণ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বকে অনন্য করেছিল। পরবর্তী সময়ে বেগম খালেদা জিয়া আপসহীন নেত্রী হিসেবে রাজপথের সংগ্রামের মাধ্যমে রাজনীতিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার ধৈর্যশীলতা বর্তমান প্রজন্মের জন্য শিক্ষণীয়।’ পাশাপাশি তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের রাজনীতিকে সংগঠিত করতে তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দেশের প্রতিটি প্রান্তে গিয়ে তিনি তরুণ সমাজকে জাগ্রত করেছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে তার দূরদর্শী পরিকল্পনা ও নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের ভিত্তি তৈরি করছে।’
​নতুন প্রজন্মকে সাহিত্য ও ইতিহাসমুখী করতে বইমেলার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, বই ও পাঠাগার কেবল জ্ঞানচর্চার মাধ্যম নয়, এটি একটি জাতির ইতিহাস ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের ধারক। মানবসভ্যতার বিকাশে বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই নতুন প্রজন্মকে বইমুখী করতে এ ধরনের মেলা ও পাঠাগার আন্দোলনের বিকল্প নেই।
​উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি ও ঢাকা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা জামান। সভায় আমন্ত্রিত বক্তারা নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার আহ্বান মঈন খানের

প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

অন্যায়, অত্যাচার ও জুলুমের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চায় মনোনিবেশ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী আবদুল মঈন খান।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্ব তুলে ধরেন।
​সভায় দেশের ক্রান্তিকালে শিক্ষার্থীদের অবদানের কথা স্মরণ করে মঈন খান বলেন, ‘দেশের যেকোনো সংকটে ছাত্রসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। অতীতেও ছাত্ররা দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিকালে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বিশেষ করে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রসমাজ দেশকে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে। স্বৈরশাসন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের এই ভূমিকা জাতি চিরকাল স্মরণ রাখবে।’
​তবে রাজপথে আন্দোলনের পাশাপাশি শিক্ষাজীবন বজায় রাখার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ছাত্রদের এই দায়িত্ব পালন করতে হবে লেখাপড়া বাদ দিয়ে নয়। দেশ ও সমাজের প্রয়োজনে তারা রাজপথে নামবে, কিন্তু কোনোভাবেই শিক্ষাজীবন ও জ্ঞানচর্চা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে না। শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও পড়াশোনার দায়িত্বও যথাযথভাবে পালন করতে হবে।’
​বই পড়ার গুরুত্ব এবং প্রযুক্তির যুগে পাঠ্যাভ্যাস ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, বই ও পাঠাগার একজন শিক্ষার্থীর জীবনের অমূল্য সম্পদ। প্রযুক্তির এই যুগে নতুন প্রজন্ম মোবাইল ফোনে পড়ুক, ই-বুকে পড়ুক কিংবা প্রচলিত কাগজে ছাপা বই পড়ুক—পড়ার চর্চা কোনোভাবেই হারিয়ে ফেলা যাবে না। কারণ শিক্ষা ও জ্ঞান ছাড়া কোনো জাতি বিশ্বে গৌরব অর্জন করতে পারে না।
​বিএনপির শীর্ষ নেতাদের অবদানের কথা উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, ‘শৃঙ্খলা, সচেতনতা ও জনসেবা—এই তিনটি গুণ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বকে অনন্য করেছিল। পরবর্তী সময়ে বেগম খালেদা জিয়া আপসহীন নেত্রী হিসেবে রাজপথের সংগ্রামের মাধ্যমে রাজনীতিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার ধৈর্যশীলতা বর্তমান প্রজন্মের জন্য শিক্ষণীয়।’ পাশাপাশি তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের রাজনীতিকে সংগঠিত করতে তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দেশের প্রতিটি প্রান্তে গিয়ে তিনি তরুণ সমাজকে জাগ্রত করেছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে তার দূরদর্শী পরিকল্পনা ও নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের ভিত্তি তৈরি করছে।’
​নতুন প্রজন্মকে সাহিত্য ও ইতিহাসমুখী করতে বইমেলার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, বই ও পাঠাগার কেবল জ্ঞানচর্চার মাধ্যম নয়, এটি একটি জাতির ইতিহাস ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের ধারক। মানবসভ্যতার বিকাশে বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই নতুন প্রজন্মকে বইমুখী করতে এ ধরনের মেলা ও পাঠাগার আন্দোলনের বিকল্প নেই।
​উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি ও ঢাকা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা জামান। সভায় আমন্ত্রিত বক্তারা নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত