ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে প্রবাসীর স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও সেই দৃশ্য ভিডিও করে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগে মামলার প্রধান আসামি মো. আল আমিনকে (৩০) গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ৫ মিনিটে গাজীপুর মহানগরীর সদর থানাধীন ভাওরাইদ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আল আমিন রানীশংকৈল উপজেলার হাটগাঁও গ্রামের মো. হানিফের ছেলে।
র্যাব জানায়, মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী তার বাবার বাড়িতে গোসল করার সময় আসামি জনি বাথরুমের ভেন্টিলেটর ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। ওই নারী বাথরুম থেকে বের হলে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা আল আমিন তার গলা চেপে ধরে আবার বাথরুমে নিয়ে যান। এ সময় জনি ওই নারীর নগ্ন ভিডিও মুঠোফোনে ধারণ করে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে আল আমিনও তাকে ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে ধারণ করা ভিডিও অন্যত্র স্থানান্তর করে আসামিরা ওই নারীকে ব্ল্যাকমেল করতে থাকেন এবং শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চাপ দেন। সর্বশেষ গত ২ আগস্ট অপর আসামি মাহবুব আলম তার মুঠোফোনে থাকা ভিডিও ওই নারীকে দেখিয়ে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় গত ২০ আগস্ট ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে রানীশংকৈল থানায় দলবদ্ধ ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা করেন। মামলার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান।
পরবর্তী সময়ে র্যাব-১৩ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে এবং গতকাল রাতে র্যাব-১৩ ও র্যাব-১–এর যৌথ আভিযানিক দল গাজীপুর থেকে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে প্রবাসীর স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও সেই দৃশ্য ভিডিও করে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগে মামলার প্রধান আসামি মো. আল আমিনকে (৩০) গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ৫ মিনিটে গাজীপুর মহানগরীর সদর থানাধীন ভাওরাইদ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আল আমিন রানীশংকৈল উপজেলার হাটগাঁও গ্রামের মো. হানিফের ছেলে।
র্যাব জানায়, মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী তার বাবার বাড়িতে গোসল করার সময় আসামি জনি বাথরুমের ভেন্টিলেটর ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। ওই নারী বাথরুম থেকে বের হলে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা আল আমিন তার গলা চেপে ধরে আবার বাথরুমে নিয়ে যান। এ সময় জনি ওই নারীর নগ্ন ভিডিও মুঠোফোনে ধারণ করে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে আল আমিনও তাকে ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে ধারণ করা ভিডিও অন্যত্র স্থানান্তর করে আসামিরা ওই নারীকে ব্ল্যাকমেল করতে থাকেন এবং শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চাপ দেন। সর্বশেষ গত ২ আগস্ট অপর আসামি মাহবুব আলম তার মুঠোফোনে থাকা ভিডিও ওই নারীকে দেখিয়ে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় গত ২০ আগস্ট ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে রানীশংকৈল থানায় দলবদ্ধ ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা করেন। মামলার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান।
পরবর্তী সময়ে র্যাব-১৩ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে এবং গতকাল রাতে র্যাব-১৩ ও র্যাব-১–এর যৌথ আভিযানিক দল গাজীপুর থেকে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

আপনার মতামত লিখুন