জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ ভালো নেই, দেশও ভালো নেই। বিদ্যুৎ ও সারের সংকট চরমে। মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। আমরা জনগণের কষ্টের কথা জাতীয় সংসদে বলার চেষ্টা করছি। কিন্তু সরকার আমাদের কথা বলতে দিচ্ছে না। বাধ্য হয়ে জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য আমরা রাজপথে নেমেছি।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের মানিকপোটল গ্রামে শহীদ আব্দুল মালেকের কবর জিয়ারত শেষে স্থানীয় একটি মাদ্রাসা মাঠে উপস্থিত মানুষের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ৬টায় শহীদ আব্দুল মালেকের কবর জিয়ারত করেন ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ফাতিহা পাঠ করেন এবং শহীদ আব্দুল মালেকের শাহাদাত কবুলের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
কবর জিয়ারত শেষে ডা. শফিকুর রহমান স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় শহীদ আব্দুল মালেকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
জামায়াতের আমিরের আগমন উপলক্ষে সকাল থেকেই স্থানীয় মাদ্রাসা মাঠে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন। মানিকপোটল গ্রামে পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় ডা. শফিকুর রহমান হাত নেড়ে উপস্থিত মানুষের অভিবাদনের জবাব দেন।
এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, বগুড়া জেলা জামায়াতের আমির ও শহীদ আব্দুল মালেক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আব্দুল বাসেদ, ধুনট উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আমিনুল ইসলাম, সেক্রেটারি আব্দুল করিমসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, শহীদ আব্দুল মালেক ১৯৬৯ সালের ১৫ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ইসলামী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ হন। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রসংঘের সভাপতি ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি বগুড়ার ধুনট উপজেলার মানিকপোটল গ্রামে।
\

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ ভালো নেই, দেশও ভালো নেই। বিদ্যুৎ ও সারের সংকট চরমে। মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। আমরা জনগণের কষ্টের কথা জাতীয় সংসদে বলার চেষ্টা করছি। কিন্তু সরকার আমাদের কথা বলতে দিচ্ছে না। বাধ্য হয়ে জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য আমরা রাজপথে নেমেছি।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের মানিকপোটল গ্রামে শহীদ আব্দুল মালেকের কবর জিয়ারত শেষে স্থানীয় একটি মাদ্রাসা মাঠে উপস্থিত মানুষের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ৬টায় শহীদ আব্দুল মালেকের কবর জিয়ারত করেন ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ফাতিহা পাঠ করেন এবং শহীদ আব্দুল মালেকের শাহাদাত কবুলের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
কবর জিয়ারত শেষে ডা. শফিকুর রহমান স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় শহীদ আব্দুল মালেকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
জামায়াতের আমিরের আগমন উপলক্ষে সকাল থেকেই স্থানীয় মাদ্রাসা মাঠে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন। মানিকপোটল গ্রামে পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় ডা. শফিকুর রহমান হাত নেড়ে উপস্থিত মানুষের অভিবাদনের জবাব দেন।
এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, বগুড়া জেলা জামায়াতের আমির ও শহীদ আব্দুল মালেক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আব্দুল বাসেদ, ধুনট উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আমিনুল ইসলাম, সেক্রেটারি আব্দুল করিমসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, শহীদ আব্দুল মালেক ১৯৬৯ সালের ১৫ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ইসলামী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ হন। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রসংঘের সভাপতি ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি বগুড়ার ধুনট উপজেলার মানিকপোটল গ্রামে।
\

আপনার মতামত লিখুন