চট্টগ্রাম এখন বিদেশি অনলাইন স্ক্যামারদের অন্যতম পছন্দের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বসে স্ক্যামিংয়ের সুবিধা এবং অন্যান্য দেশে কঠোর নজরদারি থাকায় এই চক্রটি চট্টগ্রামকেই নিরাপদ এলাকা হিসেবে বেছে নিয়েছে। সম্প্রতি নগরীর খুলশী এলাকার কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার একটি আটতলা ভবনে অভিযান চালিয়ে যৌথভাবে ৬৩ জন বিদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে নগর পুলিশ (সিএমপি) ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।
গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১৩৪টি মুঠোফোন, ৫৭টি ল্যাপটপসহ প্রায় ১৭০টি ডিজিটাল সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে, যা তারা অনলাইন স্ক্যামিং বা প্রতারণার কাজে ব্যবহার করত।
পুলিশ জানায়, চীন, ভিয়েতনাম, লাওস, পাকিস্তান ও নেপালের নাগরিকরা দেশীয় সহযোগীদের মাধ্যমে ওই ভবনের ১৪টি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। সেখান থেকেই ওয়েবসাইট, মুঠোফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সাইবার জালিয়াতি, অবৈধ অর্থ আত্মসাৎ, এমএফএস জালিয়াতি এবং বিভিন্ন অনলাইন প্রতারণা চালিয়ে আসছিলেন তারা। ভবনের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের 'ডিজিটাল ল্যাব' তৈরি করা হয়েছিল। তবে পুলিশ জানায়, তাদের কারও কাছে তাৎক্ষণিকভাবে পাসপোর্ট পাওয়া যায়নি। পাসপোর্টগুলো অন্য এক ব্যক্তির কাছে জমা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে জানান, গ্রেপ্তার ৬২ জনের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, লাওস, চীন বা কম্বোডিয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এসব অপরাধীরা বাংলাদেশে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছে। এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের একটি হোটেল থেকে ৬ চীনা স্ক্যামারকে ১,৯৩৮টি আইফোন ও ল্যাপটপসহ গ্রেপ্তার করা হয়। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের এই দুটি ঘটনার পেছনে কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম এখন বিদেশি অনলাইন স্ক্যামারদের অন্যতম পছন্দের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বসে স্ক্যামিংয়ের সুবিধা এবং অন্যান্য দেশে কঠোর নজরদারি থাকায় এই চক্রটি চট্টগ্রামকেই নিরাপদ এলাকা হিসেবে বেছে নিয়েছে। সম্প্রতি নগরীর খুলশী এলাকার কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার একটি আটতলা ভবনে অভিযান চালিয়ে যৌথভাবে ৬৩ জন বিদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে নগর পুলিশ (সিএমপি) ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।
গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১৩৪টি মুঠোফোন, ৫৭টি ল্যাপটপসহ প্রায় ১৭০টি ডিজিটাল সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে, যা তারা অনলাইন স্ক্যামিং বা প্রতারণার কাজে ব্যবহার করত।
পুলিশ জানায়, চীন, ভিয়েতনাম, লাওস, পাকিস্তান ও নেপালের নাগরিকরা দেশীয় সহযোগীদের মাধ্যমে ওই ভবনের ১৪টি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। সেখান থেকেই ওয়েবসাইট, মুঠোফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সাইবার জালিয়াতি, অবৈধ অর্থ আত্মসাৎ, এমএফএস জালিয়াতি এবং বিভিন্ন অনলাইন প্রতারণা চালিয়ে আসছিলেন তারা। ভবনের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের 'ডিজিটাল ল্যাব' তৈরি করা হয়েছিল। তবে পুলিশ জানায়, তাদের কারও কাছে তাৎক্ষণিকভাবে পাসপোর্ট পাওয়া যায়নি। পাসপোর্টগুলো অন্য এক ব্যক্তির কাছে জমা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে জানান, গ্রেপ্তার ৬২ জনের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, লাওস, চীন বা কম্বোডিয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এসব অপরাধীরা বাংলাদেশে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছে। এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের একটি হোটেল থেকে ৬ চীনা স্ক্যামারকে ১,৯৩৮টি আইফোন ও ল্যাপটপসহ গ্রেপ্তার করা হয়। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের এই দুটি ঘটনার পেছনে কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন