নদী ভাঙনে বসতভিটা, সড়ক ও ফসলি জমি বিলীন হয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে এবং কার্যকর সুরক্ষার দাবিতে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের পুরাতন ফেরি ঘাট এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এ কর্মসূচির আয়োজন করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান, দপদপিয়া ইউনিয়নের ভরতকাঠি থেকে খয়রাবাদ পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকা ইতোমধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এর ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের রাস্তা নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে স্কুল শিক্ষার্থীরা। বিগত কয়েক বছরে ক্রমাগত ভাঙনে সড়ক, আবাদি জমি ও বসতভিটা হারিয়েছেন অসংখ্য মানুষ। এমনকি বুড়িরহাট থেকে পূর্ব ভরতকাঠি এলাকার সংযোগ সড়কগুলোও এখন চরম হুমকির মুখে। অথচ বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নদী ভাঙন রোধে কোনো দৃশ্যমান বা কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ড. মনীষা চক্রবর্তী।
বক্তব্যে ড. মনীষা চক্রবর্তী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বরিশালে নৌপরিবহন মন্ত্রীসহ একাধিক প্রভাবশালী মন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও কেউ ভাঙনকবলিত এই মানুষগুলোর খোঁজ রাখতে আসেননি। নদী রক্ষা ও ভাঙন প্রতিরোধে টেকসই পরিকল্পনা নেওয়ার জন্য ফরিদপুরের ‘বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট’-এর বিশেষজ্ঞদের এ এলাকায় নিয়ে আসারও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।’ অবিলমে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে মহাসড়ক অবরোধসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
নদী ভাঙনের বিষয়ে বক্তব্য জানতে নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রতীক কুমার কুন্ডুর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নদী ভাঙনে বসতভিটা, সড়ক ও ফসলি জমি বিলীন হয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে এবং কার্যকর সুরক্ষার দাবিতে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের পুরাতন ফেরি ঘাট এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এ কর্মসূচির আয়োজন করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান, দপদপিয়া ইউনিয়নের ভরতকাঠি থেকে খয়রাবাদ পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকা ইতোমধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এর ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের রাস্তা নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে স্কুল শিক্ষার্থীরা। বিগত কয়েক বছরে ক্রমাগত ভাঙনে সড়ক, আবাদি জমি ও বসতভিটা হারিয়েছেন অসংখ্য মানুষ। এমনকি বুড়িরহাট থেকে পূর্ব ভরতকাঠি এলাকার সংযোগ সড়কগুলোও এখন চরম হুমকির মুখে। অথচ বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নদী ভাঙন রোধে কোনো দৃশ্যমান বা কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ড. মনীষা চক্রবর্তী।
বক্তব্যে ড. মনীষা চক্রবর্তী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বরিশালে নৌপরিবহন মন্ত্রীসহ একাধিক প্রভাবশালী মন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও কেউ ভাঙনকবলিত এই মানুষগুলোর খোঁজ রাখতে আসেননি। নদী রক্ষা ও ভাঙন প্রতিরোধে টেকসই পরিকল্পনা নেওয়ার জন্য ফরিদপুরের ‘বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট’-এর বিশেষজ্ঞদের এ এলাকায় নিয়ে আসারও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।’ অবিলমে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে মহাসড়ক অবরোধসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
নদী ভাঙনের বিষয়ে বক্তব্য জানতে নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রতীক কুমার কুন্ডুর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন