সংবাদ

পদ্মায় বাড়ছে পানি : দুর্গত মানুষের পাশে দ্রুত দাঁড়াতে হবে


প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০২ এএম

পদ্মায় বাড়ছে পানি : দুর্গত মানুষের পাশে দ্রুত দাঁড়াতে হবে

পদ্মার পানি বাড়ায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের দুই ইউনিয়নের বহু মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। ৩৫টি গ্রামের মানুষ দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। ডুবে গেছে সড়ক, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসলি জমি। কোথাও কোথাও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রাখতে হয়েছে। বন্যদুগর্তদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পানির সঙ্গে বাড়ছে সাপের উপদ্রব।

ভাটির দেশ বাংলাদেশে বন্যা কোনো নতুন ঘটনা নয়। বন্যাজনিত দুর্ভোগ কমানোর প্রস্তুতি কতটা কার্যকর সেটিই বড় প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ত্রাণ, শুকনা খাবার, ওষুধ ও চিকিৎসক দল প্রস্তুত রাখার কথা জানিয়েছে। তবে দুর্গত মানুষের অভিযোগ, তাদের কাছে ত্রাণসামগ্রী সময়মতো পৌঁছায়নি। বন্যার সময়ে ত্রাণ বিতরণে বিলম্ব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বন্যার কারণে যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড় দুর্গত মানুষের পক্ষে খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। যে কারণে তাদের কাছে দ্রুত সাহায্য পৌঁছানো জরুরি।

এবার প্রায় ৪৭০ হেক্টর ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। পানি আরও বাড়লে ক্ষয়ক্ষতি বাড়তে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন ও কৃষি প্রণোদনার দ্রুত ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে গবাদিপশু রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহায়তাও দিতে হবে।

পদ্মার চরাঞ্চলের মানুষের জন্য বন্যা যেন অনিবার্য এক দুর্ভোগ। তাদেরকে এই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। টেকসই সড়ক ও নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা যেতে পারে। বন্যা পরিস্থিতি থেকে দ্রুত উদ্ধার করার জন্য নৌযান প্রস্তুত রাখা যেতে পারে। আগাম সতর্কবার্তার ব্যবস্থাও জোরদার করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পদ্মায় বাড়ছে পানি : দুর্গত মানুষের পাশে দ্রুত দাঁড়াতে হবে

প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

পদ্মার পানি বাড়ায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের দুই ইউনিয়নের বহু মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। ৩৫টি গ্রামের মানুষ দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। ডুবে গেছে সড়ক, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসলি জমি। কোথাও কোথাও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রাখতে হয়েছে। বন্যদুগর্তদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পানির সঙ্গে বাড়ছে সাপের উপদ্রব।

ভাটির দেশ বাংলাদেশে বন্যা কোনো নতুন ঘটনা নয়। বন্যাজনিত দুর্ভোগ কমানোর প্রস্তুতি কতটা কার্যকর সেটিই বড় প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ত্রাণ, শুকনা খাবার, ওষুধ ও চিকিৎসক দল প্রস্তুত রাখার কথা জানিয়েছে। তবে দুর্গত মানুষের অভিযোগ, তাদের কাছে ত্রাণসামগ্রী সময়মতো পৌঁছায়নি। বন্যার সময়ে ত্রাণ বিতরণে বিলম্ব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বন্যার কারণে যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড় দুর্গত মানুষের পক্ষে খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রী পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। যে কারণে তাদের কাছে দ্রুত সাহায্য পৌঁছানো জরুরি।

এবার প্রায় ৪৭০ হেক্টর ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। পানি আরও বাড়লে ক্ষয়ক্ষতি বাড়তে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন ও কৃষি প্রণোদনার দ্রুত ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে গবাদিপশু রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহায়তাও দিতে হবে।

পদ্মার চরাঞ্চলের মানুষের জন্য বন্যা যেন অনিবার্য এক দুর্ভোগ। তাদেরকে এই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। টেকসই সড়ক ও নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা যেতে পারে। বন্যা পরিস্থিতি থেকে দ্রুত উদ্ধার করার জন্য নৌযান প্রস্তুত রাখা যেতে পারে। আগাম সতর্কবার্তার ব্যবস্থাও জোরদার করতে হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত