মাদারীপুর সদর উপজেলার চরনাচনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ শতাংশের একটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এই পুকুর ভরাটের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গোসল ও গৃহস্থালি কাজে পুকুরটির পানি ব্যবহার করা হতো। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঠের প্রয়োজনের কথা বলে জলাশয়টি ভরাট করা হচ্ছে।
প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পুকুর বা জলাশয় ভরাট বেআইনি। উচ্চ আদালতেরও এ বিষয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মাঠ তৈরি করার জন্য কারও আইন লঙ্ঘনের সুযোগ আছে বলে আমাদের জানা নেই। বিশেষ করে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি রক্ষার দায়িত্ব যাদের, তাদের বিরুদ্ধেই যদি জলাশয় ভরাটের অভিযোগ ওঠে, তা আরও গুরুতর।
চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত অর্থায়নে পুকুরটি ভরাটের কথা স্বীকার করেছেন। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, এ কাজের কোনো দাপ্তরিক অনুমতিপত্র নেই। তাহলে কার অনুমতিতে এবং কী উদ্দেশ্যে পুকুরটি ভরাট করা হয়েছে সেটা আমরা জানতে চাইব। পুকুর ভরাটের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি।
জলাধার হারিয়ে গেলে শুধু পরিবেশের ক্ষতি হয় না, স্থানীয় মানুষের জীবনেও তার প্রভাব পড়ে। পুকুর ভরাটের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে ভরাট করা পুকুরটি পুনঃখনন করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে হবে। আইন সবার জন্য সমান। সরকারি প্রতিষ্ঠানের জলাশয়ের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হওয়ার সুযোগ নেই।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাদারীপুর সদর উপজেলার চরনাচনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ শতাংশের একটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এই পুকুর ভরাটের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গোসল ও গৃহস্থালি কাজে পুকুরটির পানি ব্যবহার করা হতো। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঠের প্রয়োজনের কথা বলে জলাশয়টি ভরাট করা হচ্ছে।
প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পুকুর বা জলাশয় ভরাট বেআইনি। উচ্চ আদালতেরও এ বিষয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মাঠ তৈরি করার জন্য কারও আইন লঙ্ঘনের সুযোগ আছে বলে আমাদের জানা নেই। বিশেষ করে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি রক্ষার দায়িত্ব যাদের, তাদের বিরুদ্ধেই যদি জলাশয় ভরাটের অভিযোগ ওঠে, তা আরও গুরুতর।
চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত অর্থায়নে পুকুরটি ভরাটের কথা স্বীকার করেছেন। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, এ কাজের কোনো দাপ্তরিক অনুমতিপত্র নেই। তাহলে কার অনুমতিতে এবং কী উদ্দেশ্যে পুকুরটি ভরাট করা হয়েছে সেটা আমরা জানতে চাইব। পুকুর ভরাটের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি।
জলাধার হারিয়ে গেলে শুধু পরিবেশের ক্ষতি হয় না, স্থানীয় মানুষের জীবনেও তার প্রভাব পড়ে। পুকুর ভরাটের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে ভরাট করা পুকুরটি পুনঃখনন করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে হবে। আইন সবার জন্য সমান। সরকারি প্রতিষ্ঠানের জলাশয়ের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হওয়ার সুযোগ নেই।

আপনার মতামত লিখুন