জামিন পাওয়ার পর কারামুক্তির প্রহর গুনছিলেন নায়িকা ও মডেল এবং বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোটের নেত্রী শিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুভাষ। কিন্তু আশুলিয়া থানার এক হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে নতুন করে গ্রেফতার দেখানোয় আদালতের কাঠগড়ায় চরম ক্ষোভ ও অভিমান ঝরল তার কণ্ঠে।
কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আদালতের উদ্দেশে তিনি আকুতিভরা কণ্ঠে বলেন, ‘জামিন পেলেই আমাকে একের পর এক মামলা দেওয়া হচ্ছে। আমি তো কোনো অন্যায় করিনি। বারবার মামলা না দিয়ে আমাকে গুলি করে মেরে ফেলেন।’
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালতে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন দুপুর ১২টার পর হাজতখানা থেকে কাঠগড়ায় তোলার সময় হঠাৎ মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন মিষ্টি সুভাষ। পুলিশ সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাজতখানায় নিয়ে যান। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর তাকে পুনরায় আদালতে হাজির করা হয়।
শুনানিকালে অনুমতি নিয়ে বিচারকের কাছে তিনি দাবি করেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে যাওয়া কোনো অপরাধ হতে পারে না। তাকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী গোলাম রাব্বানী তাকে ওই মামলায় গ্রেফতার না দেখানোর প্রার্থনা করলেও রাষ্ট্রপক্ষের শুনানির পর আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২৬ মার্চ জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে যাওয়ার সময় মিষ্টি সুভাষকে আটক করা হয়েছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হলেও এর মধ্যে চারটি মামলায় তিনি জামিন লাভ করেন। কারামুক্তির সব প্রক্রিয়া যখন প্রায় শেষের পথে, তখনই গত ৯ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আতোয়ার রহমান তাকে নতুন করে এই হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় তার কারামুক্তি দীর্ঘায়িত হলো।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জামিন পাওয়ার পর কারামুক্তির প্রহর গুনছিলেন নায়িকা ও মডেল এবং বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোটের নেত্রী শিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুভাষ। কিন্তু আশুলিয়া থানার এক হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে নতুন করে গ্রেফতার দেখানোয় আদালতের কাঠগড়ায় চরম ক্ষোভ ও অভিমান ঝরল তার কণ্ঠে।
কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আদালতের উদ্দেশে তিনি আকুতিভরা কণ্ঠে বলেন, ‘জামিন পেলেই আমাকে একের পর এক মামলা দেওয়া হচ্ছে। আমি তো কোনো অন্যায় করিনি। বারবার মামলা না দিয়ে আমাকে গুলি করে মেরে ফেলেন।’
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালতে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন দুপুর ১২টার পর হাজতখানা থেকে কাঠগড়ায় তোলার সময় হঠাৎ মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন মিষ্টি সুভাষ। পুলিশ সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাজতখানায় নিয়ে যান। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর তাকে পুনরায় আদালতে হাজির করা হয়।
শুনানিকালে অনুমতি নিয়ে বিচারকের কাছে তিনি দাবি করেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে যাওয়া কোনো অপরাধ হতে পারে না। তাকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী গোলাম রাব্বানী তাকে ওই মামলায় গ্রেফতার না দেখানোর প্রার্থনা করলেও রাষ্ট্রপক্ষের শুনানির পর আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২৬ মার্চ জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে যাওয়ার সময় মিষ্টি সুভাষকে আটক করা হয়েছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হলেও এর মধ্যে চারটি মামলায় তিনি জামিন লাভ করেন। কারামুক্তির সব প্রক্রিয়া যখন প্রায় শেষের পথে, তখনই গত ৯ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আতোয়ার রহমান তাকে নতুন করে এই হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় তার কারামুক্তি দীর্ঘায়িত হলো।

আপনার মতামত লিখুন