বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ সব অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট আবেদন খারিজ হয়ে গেছে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে (নট প্রেস রিজেক্ট) খারিজের এই আদেশ দেন।
এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা মো. আল আমিন হাইকোর্টে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী।
রিটে গত বছরের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না; এ মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি রুল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় প্রজ্ঞাপনটির কার্যক্রম স্থগিত রাখারও আবেদন করেছিলেন রিটকারী।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত গত বছর ১২ মে ওই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়, বিচারকার্য শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সংশ্লিষ্টরা কোনো ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ কিংবা সম্মেলন আয়োজনসহ কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবেন না।
রবিবারের আদেশের ফলে সাংবিধানিক বা আইনি প্রক্রিয়ায় ওই প্রজ্ঞাপনের ওপর তাৎক্ষণিক কোনো স্থগিতাদেশ বা বাধা থাকছে না। রিটকারীর আইনজীবী রিটটি চালাবে না মর্মে বা উত্থাপিত হয়নি এমন আদেশের আবেদন জানালে আদালত তা খারিজ করেন।
এর মধ্য দিয়ে গত বছরের ১২ মে জারি করা নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে কোনো আইনি পরিবর্তন আসছে না এবং তা বহাল থাকছে। দেশের সার্বিক রাজনৈতিক অঙ্গন ও আইনি মহলে বহুল আলোচিত এই রিট আবেদনের নিস্পত্তি নিয়ে দিনভর নানা গুঞ্জন থাকলেও হাইকোর্টের বেঞ্চের নট প্রেস আদেশের মধ্য দিয়ে বিষয়টি আপাতত নিষ্পত্তি হলো। বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত আগের নিষেধাজ্ঞা ও বিধিনিষেধ বহাল থাকছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ সব অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট আবেদন খারিজ হয়ে গেছে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে (নট প্রেস রিজেক্ট) খারিজের এই আদেশ দেন।
এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা মো. আল আমিন হাইকোর্টে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী।
রিটে গত বছরের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না; এ মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি রুল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় প্রজ্ঞাপনটির কার্যক্রম স্থগিত রাখারও আবেদন করেছিলেন রিটকারী।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত গত বছর ১২ মে ওই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়, বিচারকার্য শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সংশ্লিষ্টরা কোনো ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ কিংবা সম্মেলন আয়োজনসহ কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবেন না।
রবিবারের আদেশের ফলে সাংবিধানিক বা আইনি প্রক্রিয়ায় ওই প্রজ্ঞাপনের ওপর তাৎক্ষণিক কোনো স্থগিতাদেশ বা বাধা থাকছে না। রিটকারীর আইনজীবী রিটটি চালাবে না মর্মে বা উত্থাপিত হয়নি এমন আদেশের আবেদন জানালে আদালত তা খারিজ করেন।
এর মধ্য দিয়ে গত বছরের ১২ মে জারি করা নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে কোনো আইনি পরিবর্তন আসছে না এবং তা বহাল থাকছে। দেশের সার্বিক রাজনৈতিক অঙ্গন ও আইনি মহলে বহুল আলোচিত এই রিট আবেদনের নিস্পত্তি নিয়ে দিনভর নানা গুঞ্জন থাকলেও হাইকোর্টের বেঞ্চের নট প্রেস আদেশের মধ্য দিয়ে বিষয়টি আপাতত নিষ্পত্তি হলো। বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত আগের নিষেধাজ্ঞা ও বিধিনিষেধ বহাল থাকছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন