সংবাদ

বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষায় সরকার সচেতন


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৮ পিএম

বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষায় সরকার সচেতন

নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে বর্তমান সরকার অত্যন্ত সচেতন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তবে গঠনমূলক সমালোচনা আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহনন কোনোভাবেই এক নয় বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন তিনি।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রতিটি নাগরিকের মতপ্রকাশ ও গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার রয়েছে। তবে গঠনমূলক সমালোচনা আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহনন এক নয়।”

আইআরআইয়ের রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান, আইআরআইয়ের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার রুকসানা হক এবং তরুণ রাজনীতিবিদ ও আইআরআই প্রশিক্ষণার্থী চামন ফারিয়া ও মোহাম্মদ প্রিন্স। বৈঠকে সাইবার অপরাধ, অনলাইন বুলিং প্রতিরোধ এবং প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আইআরআই প্রতিনিধিদলের প্রধান জন ফ্লুহার্টি যুব নেতৃত্ব গঠন ও সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক চর্চা কর্মসূচির তথ্য তুলে ধরে বলেন, “বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ও রাজনৈতিক কর্মীরা বর্তমানে সাইবার বুলিং এবং সংগঠিত অপপ্রচারের কারণে হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন।”

এ সময় তিনি সরকারি ও বিরোধী দলগুলোর জন্য সর্বসম্মত নীতি ও আইনগত সুরক্ষার আহ্বান জানান।

উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করে বলেন, “সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন।”

প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন প্রসঙ্গে তিনি জানান, গত দুই মাস ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সিনিয়র সম্পাদক এবং সুশীল সমাজের অংশীজনদের মতামত নিয়ে আইনটি পরিমার্জন করা হচ্ছে। ডিজিটাল স্পেসে শালীনতা ফিরিয়ে আনা, নারী ও তরুণদের সাইবার বুলিং থেকে রক্ষা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা এই আইনের মূল লক্ষ্য, যাতে কোনো অপব্যবহার না হয়।

সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা সুসংহত করতে সরকার আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় অংশীজনদের ইতিবাচক পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ এবং রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষায় সরকার সচেতন

প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে বর্তমান সরকার অত্যন্ত সচেতন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তবে গঠনমূলক সমালোচনা আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহনন কোনোভাবেই এক নয় বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন তিনি।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রতিটি নাগরিকের মতপ্রকাশ ও গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার রয়েছে। তবে গঠনমূলক সমালোচনা আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহনন এক নয়।”

আইআরআইয়ের রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান, আইআরআইয়ের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার রুকসানা হক এবং তরুণ রাজনীতিবিদ ও আইআরআই প্রশিক্ষণার্থী চামন ফারিয়া ও মোহাম্মদ প্রিন্স। বৈঠকে সাইবার অপরাধ, অনলাইন বুলিং প্রতিরোধ এবং প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আইআরআই প্রতিনিধিদলের প্রধান জন ফ্লুহার্টি যুব নেতৃত্ব গঠন ও সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক চর্চা কর্মসূচির তথ্য তুলে ধরে বলেন, “বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ও রাজনৈতিক কর্মীরা বর্তমানে সাইবার বুলিং এবং সংগঠিত অপপ্রচারের কারণে হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন।”

এ সময় তিনি সরকারি ও বিরোধী দলগুলোর জন্য সর্বসম্মত নীতি ও আইনগত সুরক্ষার আহ্বান জানান।

উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করে বলেন, “সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন।”

প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন প্রসঙ্গে তিনি জানান, গত দুই মাস ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সিনিয়র সম্পাদক এবং সুশীল সমাজের অংশীজনদের মতামত নিয়ে আইনটি পরিমার্জন করা হচ্ছে। ডিজিটাল স্পেসে শালীনতা ফিরিয়ে আনা, নারী ও তরুণদের সাইবার বুলিং থেকে রক্ষা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা এই আইনের মূল লক্ষ্য, যাতে কোনো অপব্যবহার না হয়।

সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা সুসংহত করতে সরকার আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় অংশীজনদের ইতিবাচক পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ এবং রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত