স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বয়সের বাধ্যবাধকতা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান। এর আগে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন, যেখানে প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে চলা বিভিন্ন আলোচনা ও বিভ্রান্তি দূর করতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একটা বিষয় একটু স্পষ্ট করতে চাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় বিভিন্ন বিষয় ঘুরে শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয় নিয়ে। আমাদের স্থানীয় সরকারের যে পাঁচটি আইন আছে, এর মধ্যে কোথাও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নাই।’
বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘অতএব, যারা আগামীতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন তাদের অনুরোধ করবো, এটা নিয়ে আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। আমি আবারও বলছি, শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নাই। ইউপি সদস্য, ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর, সিটি করপোরেশনের মেয়র, কাউন্সিলর; এসব পদে দাঁড়ানোর জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নাই বা প্রয়োজন হবে না।’
একই বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘না, কোনো প্রয়োজন নাই। এমপিদেরই তো নাই। আমি যে এমপি হয়েছি, আমারই তো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয়নি ফর্মে।’
তিনি জানান, সংসদ সদস্য পদের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি আইনেও এই বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি, কারণ এটি সংবিধানে বা আইনে নেই এবং এমন সীমাবদ্ধতা মানবাধিকারের পরিপন্থী হতে পারে।
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার অনুপস্থিতি মানুষের জনপ্রতিনিধি হওয়ার পথে বাধা হওয়া উচিত নয় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ আইনে নাই তো, সংবিধানে নাই তো এবং যেহেতু সংসদ সদস্যদের যোগ্যতার প্রশ্ন ওঠে না, তাই স্থানীয় সরকারের যে পাঁচটা আইন করেছি, ওখানেও আমরা রাখিনি। কারণ এটাতে মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে। একজন সমাজসেবক তো লেখাপড়া নাও করতে পারেন, স্বশিক্ষিত হতে পারেন।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আনুষ্ঠানিক, মানে প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া না করেও তিনি স্বশিক্ষিত হতে পারেন। অথবা কোনোদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাননি কিন্তু তিনি মেধাবী, আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞান তার মধ্যে রয়েছে। তার তো জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা আছে।’
পরিশেষে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বয়সেরও আলাদা কোনো বাধ্যবাধকতা নেই; ভোটার হলেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা যাবে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বয়সের বাধ্যবাধকতা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান। এর আগে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন, যেখানে প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে চলা বিভিন্ন আলোচনা ও বিভ্রান্তি দূর করতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একটা বিষয় একটু স্পষ্ট করতে চাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় বিভিন্ন বিষয় ঘুরে শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয় নিয়ে। আমাদের স্থানীয় সরকারের যে পাঁচটি আইন আছে, এর মধ্যে কোথাও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নাই।’
বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘অতএব, যারা আগামীতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন তাদের অনুরোধ করবো, এটা নিয়ে আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। আমি আবারও বলছি, শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নাই। ইউপি সদস্য, ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর, সিটি করপোরেশনের মেয়র, কাউন্সিলর; এসব পদে দাঁড়ানোর জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নাই বা প্রয়োজন হবে না।’
একই বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘না, কোনো প্রয়োজন নাই। এমপিদেরই তো নাই। আমি যে এমপি হয়েছি, আমারই তো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয়নি ফর্মে।’
তিনি জানান, সংসদ সদস্য পদের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি আইনেও এই বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি, কারণ এটি সংবিধানে বা আইনে নেই এবং এমন সীমাবদ্ধতা মানবাধিকারের পরিপন্থী হতে পারে।
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার অনুপস্থিতি মানুষের জনপ্রতিনিধি হওয়ার পথে বাধা হওয়া উচিত নয় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ আইনে নাই তো, সংবিধানে নাই তো এবং যেহেতু সংসদ সদস্যদের যোগ্যতার প্রশ্ন ওঠে না, তাই স্থানীয় সরকারের যে পাঁচটা আইন করেছি, ওখানেও আমরা রাখিনি। কারণ এটাতে মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে। একজন সমাজসেবক তো লেখাপড়া নাও করতে পারেন, স্বশিক্ষিত হতে পারেন।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আনুষ্ঠানিক, মানে প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া না করেও তিনি স্বশিক্ষিত হতে পারেন। অথবা কোনোদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাননি কিন্তু তিনি মেধাবী, আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞান তার মধ্যে রয়েছে। তার তো জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা আছে।’
পরিশেষে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বয়সেরও আলাদা কোনো বাধ্যবাধকতা নেই; ভোটার হলেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন