দেশে কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে আসন্ন রবি ও বোরো মৌসুমে সারের কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত চাহিদার তুলনায় বর্তমানে দেশে প্রায় ১৫ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন অতিরিক্ত সার প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে মাঠে সারের জোগান নিশ্চিত করতে জেলাভিত্তিক চাহিদার শতভাগ সার বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতকৃত নথিসূত্রে জানা যায়, দেশে সারের মোট চাহিদা ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার মেট্রিক টন। এর বিপরীতে বর্তমানে ৫১ লাখ ৭১ হাজার মেট্রিক টন সারের সরবরাহ প্রস্তুত রয়েছে। আগামী অক্টোবর মাসের জন্য সারা দেশের ৬৪ জেলায় টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের নির্ধারিত চাহিদার পুরোটাই বিএডিসির মাধ্যমে সরাসরি জেলাওয়ারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিন ধরনের নন-ইউরিয়া সারের জেলাভিত্তিক এই চাহিদার পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ১৪ হাজার ৬১৬ মেট্রিক টন।
সারের আগাম জোগান নিশ্চিত করতে আমদানির ধারাবাহিকতাও বজায় রাখা হয়েছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে বেলারুশ, মরক্কো ও সৌদি আরব থেকে মোট ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়। এর আগে আগস্ট মাসেও রাশিয়া ও সৌদি আরব থেকে আরও ৩ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে দেশে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ টন সার মজুত রয়েছে এবং প্রায় সাড়ে চার লাখ টন সার পরিবহনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
সার বিতরণ ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল করতে ৬৪ জেলায় মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম জানান, কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক সময়ে সার পৌঁছাতে মাঠপর্যায়ে নিবিড় তদারকি চলছে, ফলে সারের সরবরাহ নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তার সুযোগ নেই।
/

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশে কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে আসন্ন রবি ও বোরো মৌসুমে সারের কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত চাহিদার তুলনায় বর্তমানে দেশে প্রায় ১৫ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন অতিরিক্ত সার প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে মাঠে সারের জোগান নিশ্চিত করতে জেলাভিত্তিক চাহিদার শতভাগ সার বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতকৃত নথিসূত্রে জানা যায়, দেশে সারের মোট চাহিদা ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার মেট্রিক টন। এর বিপরীতে বর্তমানে ৫১ লাখ ৭১ হাজার মেট্রিক টন সারের সরবরাহ প্রস্তুত রয়েছে। আগামী অক্টোবর মাসের জন্য সারা দেশের ৬৪ জেলায় টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের নির্ধারিত চাহিদার পুরোটাই বিএডিসির মাধ্যমে সরাসরি জেলাওয়ারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিন ধরনের নন-ইউরিয়া সারের জেলাভিত্তিক এই চাহিদার পরিমাণ প্রায় ৩ লাখ ১৪ হাজার ৬১৬ মেট্রিক টন।
সারের আগাম জোগান নিশ্চিত করতে আমদানির ধারাবাহিকতাও বজায় রাখা হয়েছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে বেলারুশ, মরক্কো ও সৌদি আরব থেকে মোট ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়। এর আগে আগস্ট মাসেও রাশিয়া ও সৌদি আরব থেকে আরও ৩ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে দেশে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ টন সার মজুত রয়েছে এবং প্রায় সাড়ে চার লাখ টন সার পরিবহনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
সার বিতরণ ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল করতে ৬৪ জেলায় মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম জানান, কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক সময়ে সার পৌঁছাতে মাঠপর্যায়ে নিবিড় তদারকি চলছে, ফলে সারের সরবরাহ নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তার সুযোগ নেই।
/

আপনার মতামত লিখুন