বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নজরদারি ও অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্ত এলাকায় দুটি নতুন অস্থায়ী পরিচালনা ঘাঁটি (টিওবি—টেম্পোরারি অপারেশনাল বেস) উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী আরচ্ছতলা টিলা ও হাতুরানী টিলা এলাকায় এই ঘাঁটি দুটি নির্মাণ করা হয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী সামশের উদ্দীন নবনির্মিত টিওবি দুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধন শেষে রিজিয়ন কমান্ডার টিওবি দুটির বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন। এ সময় সেখানে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যদের সীমান্ত সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।
রিজিয়ন কমান্ডার বলেন, ‘নবনির্মিত টিওবি দুটির মাধ্যমে মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবির নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে। পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবির সক্ষমতা বাড়বে।’ দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া এখন সহজ হবে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিজিবির রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. আনোয়ার-উল-আলম এবং কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নজরদারি ও অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্ত এলাকায় দুটি নতুন অস্থায়ী পরিচালনা ঘাঁটি (টিওবি—টেম্পোরারি অপারেশনাল বেস) উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী আরচ্ছতলা টিলা ও হাতুরানী টিলা এলাকায় এই ঘাঁটি দুটি নির্মাণ করা হয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী সামশের উদ্দীন নবনির্মিত টিওবি দুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধন শেষে রিজিয়ন কমান্ডার টিওবি দুটির বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন। এ সময় সেখানে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যদের সীমান্ত সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।
রিজিয়ন কমান্ডার বলেন, ‘নবনির্মিত টিওবি দুটির মাধ্যমে মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবির নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে। পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবির সক্ষমতা বাড়বে।’ দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া এখন সহজ হবে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিজিবির রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. আনোয়ার-উল-আলম এবং কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন