সৌদি আরবের জেদ্দায় ক্ষেপণাস্ত্র (মিসাইল) আতঙ্কে তাড়াহুড়ো করে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় মাথায় আঘাত পেয়ে সৌরভ ইসলাম (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক মারা গেছেন। গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে জেদ্দায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত সৌরভ ইসলাম নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের মুছাপুর গ্রামের আমির ইসলামের ছেলে। তিনি জেদ্দার ‘আলসাইম’ সংস্থায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী (টি-বয়) হিসেবে একটি ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের স্বজন ও প্রবাসীরা জানান, মঙ্গলবার ভোরে জেদ্দায় সৌরভ যে ভবনে থাকতেন, সেটির ছাদে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র জেদ্দার দিকে আসার সংকেত মোবাইলের বিপৎসংকেতে (অ্যালার্ম) বেজে উঠলে সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামার চেষ্টা করার সময় পায়ে রশি পেঁচিয়ে পড়ে গিয়ে মাথায় তীব্র আঘাত পান সৌরভ। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সকালে অন্য সহকর্মীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গ্রামের বাড়িতে সৌরভের মৃত্যুর খবর পৌঁছালে পরিবারের মধ্যে শোকের ছায় নেমে আসে। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে মা রেনু বেগম বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। নিহতের বাবা আমির ইসলাম বুক চাপড়ে বলেন, ‘ফোন দিলেই সৌরভ আমার খোঁজ নিত। এখন কে আমার খোঁজ নেবে? আমি সরকারের কাছে আবেদন জানাই, শেষবার যেন আমার ছেলের মুখটা দেখতে পারি। দ্রুত যেন মরদেহ দেশে আনা হয়।’
রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা জানান, ঘটনার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন বা যোগাযোগ করা হলে লাশ দেশে আনাসহ যেকোনো প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সৌদি আরবের জেদ্দায় ক্ষেপণাস্ত্র (মিসাইল) আতঙ্কে তাড়াহুড়ো করে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় মাথায় আঘাত পেয়ে সৌরভ ইসলাম (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক মারা গেছেন। গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে জেদ্দায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত সৌরভ ইসলাম নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের মুছাপুর গ্রামের আমির ইসলামের ছেলে। তিনি জেদ্দার ‘আলসাইম’ সংস্থায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী (টি-বয়) হিসেবে একটি ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের স্বজন ও প্রবাসীরা জানান, মঙ্গলবার ভোরে জেদ্দায় সৌরভ যে ভবনে থাকতেন, সেটির ছাদে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র জেদ্দার দিকে আসার সংকেত মোবাইলের বিপৎসংকেতে (অ্যালার্ম) বেজে উঠলে সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামার চেষ্টা করার সময় পায়ে রশি পেঁচিয়ে পড়ে গিয়ে মাথায় তীব্র আঘাত পান সৌরভ। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সকালে অন্য সহকর্মীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গ্রামের বাড়িতে সৌরভের মৃত্যুর খবর পৌঁছালে পরিবারের মধ্যে শোকের ছায় নেমে আসে। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে মা রেনু বেগম বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। নিহতের বাবা আমির ইসলাম বুক চাপড়ে বলেন, ‘ফোন দিলেই সৌরভ আমার খোঁজ নিত। এখন কে আমার খোঁজ নেবে? আমি সরকারের কাছে আবেদন জানাই, শেষবার যেন আমার ছেলের মুখটা দেখতে পারি। দ্রুত যেন মরদেহ দেশে আনা হয়।’
রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা জানান, ঘটনার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন বা যোগাযোগ করা হলে লাশ দেশে আনাসহ যেকোনো প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন