চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ প্রায় ১৪ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুদক চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক সাঈদ আহমদ ইমরান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত আ জ ম নাছির উদ্দীনের নামে ২ কোটি ৩০ লাখ ১৮ হাজার ৯১০ টাকার স্থাবর এবং ২৬ কোটি ৩৮ লাখ ১ হাজার ২৮৫ টাকার অস্থাবর সম্পদ ছিল। একই সময়ে তাঁর দায়-দেনার পরিমাণ ছিল ৬ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮ টাকা। দায় বাদ দেওয়ার পর তাঁর নিট সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ২২ কোটি ৪৯ লাখ ২৩ হাজার ১৮৭ টাকা।
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ওই সময়ে আ জ ম নাছির পারিবারিক ও অন্যান্য খাতে ১৮ কোটি ১২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৪৮ টাকা ব্যয় করেন। ফলে তার মোট অর্জিত সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ৪০ কোটি ৬১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩৫ টাকা। বিপরীতে অনুসন্ধানে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ পাওয়া যায় ২৬ কোটি ৬২ লাখ ৩৭ হাজার ২৬৫ টাকা। এ হিসাবে তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪১ হাজার ৫৭০ টাকা।
দুদক চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক সাঈদ আহমদ ইমরান জানান, আ জ ম নাছির উদ্দীন তার সম্পদ বিবরণীতে মৎস্য চাষ থেকে আয় দেখিয়েছিলেন। তবে অনুসন্ধানে ওই ব্যবসার কোনো বাস্তব অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। যাদের সঙ্গে চুক্তিপত্র দেখানো হয়েছিল, তারাও জানিয়েছেন যে নাছিরের সঙ্গে তাদের কোনো চুক্তি বা নিজস্ব পুকুর নেই। অসদুপায়ে অবৈধ সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রাখার অপরাধে তার বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে।
উলেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পরিবর্তনের পর থেকেই আ জ ম নাছির উদ্দীন আত্মগোপনে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধসহ অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে এবং ইতিমধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ প্রায় ১৪ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুদক চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক সাঈদ আহমদ ইমরান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত আ জ ম নাছির উদ্দীনের নামে ২ কোটি ৩০ লাখ ১৮ হাজার ৯১০ টাকার স্থাবর এবং ২৬ কোটি ৩৮ লাখ ১ হাজার ২৮৫ টাকার অস্থাবর সম্পদ ছিল। একই সময়ে তাঁর দায়-দেনার পরিমাণ ছিল ৬ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮ টাকা। দায় বাদ দেওয়ার পর তাঁর নিট সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ২২ কোটি ৪৯ লাখ ২৩ হাজার ১৮৭ টাকা।
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ওই সময়ে আ জ ম নাছির পারিবারিক ও অন্যান্য খাতে ১৮ কোটি ১২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৪৮ টাকা ব্যয় করেন। ফলে তার মোট অর্জিত সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ৪০ কোটি ৬১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩৫ টাকা। বিপরীতে অনুসন্ধানে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ পাওয়া যায় ২৬ কোটি ৬২ লাখ ৩৭ হাজার ২৬৫ টাকা। এ হিসাবে তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪১ হাজার ৫৭০ টাকা।
দুদক চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক সাঈদ আহমদ ইমরান জানান, আ জ ম নাছির উদ্দীন তার সম্পদ বিবরণীতে মৎস্য চাষ থেকে আয় দেখিয়েছিলেন। তবে অনুসন্ধানে ওই ব্যবসার কোনো বাস্তব অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। যাদের সঙ্গে চুক্তিপত্র দেখানো হয়েছিল, তারাও জানিয়েছেন যে নাছিরের সঙ্গে তাদের কোনো চুক্তি বা নিজস্ব পুকুর নেই। অসদুপায়ে অবৈধ সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রাখার অপরাধে তার বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে।
উলেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পরিবর্তনের পর থেকেই আ জ ম নাছির উদ্দীন আত্মগোপনে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধসহ অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে এবং ইতিমধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন