সংবাদ

বরিশালে শব্দদূষণে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বিপর্যস্ত জনজীবন


জেআই জুয়েল, বরিশাল
জেআই জুয়েল, বরিশাল
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম

বরিশালে শব্দদূষণে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বিপর্যস্ত জনজীবন
ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল নগরীতে মাত্রাতিরিক্ত শব্দ দূষণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হাইড্রোলিক হর্ন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিকট শব্দ, কল-কারখানা ও রাজনৈতিক-সামাজিক অনুষ্ঠানের মাইকের উচ্চ শব্দে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে নগরবাসী। শব্দ দূষণ থেকে মুক্তি চায় নগরবাসি। 

সরেজমিনে বুধবার (১৬) সেপ্টেম্বর দেখা যায়, নগরীর সদর রোড, চৌমাথা, নথুল্লাবাদ, রূপাতলী ও বটতলা এলাকা আমতলা মোড়ে সহ নগরীতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অবিরাম হর্ন বাজানো হয়। হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ ও আবাসিক এলাকাতেও মানা হচ্ছে না শব্দের মাত্রা। ফলে শিশু, বৃদ্ধ ও হৃদরোগীরা চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন।

এছাড়া নগরীতে রাতের বেলায় নতুনবাজার এলাকায় সুগন্ধা পোল্টি ফিডের অপরপাশে বহুতল ভবনে রাতের বেলায় পাইলিং ডাম্পিং করার শব্দদূষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একইভাবে বরিশাল চৈতান স্কুল রোডে অফসো স্যালাইন ফার্মাসিটিক্যাল ঔষধ কোম্পানির জেনারেটরের তীব্র শব্দে ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষকসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। 

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ড. শিহাব উদ্দিন বলেন, “দীর্ঘদিন উচ্চ শব্দের মধ্যে থাকলে শ্রবণশক্তি হ্রাস, উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা ও মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়। বরিশালে এখন শব্দদূষণ সহনীয় মাত্রার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। এটি এখনই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে না এলে এটি পরবর্তীতে জনজীবনে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়তে পারে। ”

নগরীর জেলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন, “ক্লাস চলাকালীন বাইরের হর্ন ও মাইকের শব্দে পাঠদান ব্যাহত হয়। শিক্ষার্থীরা এই শব্দদূষণের কারণে পড়ালেখায় মনোযোগ হারিয়ে ফেলছে। তাই অতি দ্রুত এই শব্দদূষণ প্রতিরোধ করতে হবে।” নগরীর সচেতন নাগরিকদের এ বিষয়ে নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। 

পরিবেশ অধিদপ্তর বরিশালের তথ্যমতে, আবাসিক এলাকায় দিনের বেলায় ৫৫ ডেসিবেল এবং রাতে ৪৫ ডেসিবেল শব্দের মানমাত্রা নির্ধারিত। কিন্তু বরিশাল নগরীতে তা ৯০ থেকে ১০০ ডেসিবেল পর্যন্ত ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

বরিশাল নগরীর শব্দ দূষণ নিয়ে জানতে চাইলে মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক শাহনামার সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, “শব্দদূষণ এখন বরিশাল নগরীর অন্যতম প্রধান সমস্যা। যানবাহনের অসহনীয় হর্ন, অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন এবং যত্রতত্র মাইকের ব্যবহারে নগরজীবন অতিষ্ঠ। বিশেষ করে সদর রোড ও হাসপাতাল এলাকায় রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।”

আবুল কালাম আজাদ আরও বলেন, “শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না, গণমাধ্যমের মাধ্যমে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। আমরা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর উদ্যোগ নেব। ”

বরিশাল সচেতন নাগরিক কমিটিন (সনাক) সভাপতি প্রফেসর শাহ্ সাজেদা বলেন, “বরিশাল এখন শব্দদূষণের নগরীতে পরিণত হয়েছে। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আদালতের মতো নীরব এলাকাতেও হাইড্রোলিক হর্ন ও মাইকের অবাধ ব্যবহার চলছে। এটি শুধু পরিবেশের জন্য নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। প্রশাসনকে শুধু আইন নয়, সচেতনতামূলক কার্যক্রমও জোরদার করতে হবে। আমরা অতিদ্রুত একটি সমন্বিত উদ্যোগ চাই।”

এ বিষয়ে কথা হয় বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মুজাহিদুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন, “আমরা নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে শব্দের মাত্রা পরিমাপ করেছি। প্রায় সব জায়গাতেই শব্দের মাত্রা আদর্শ মানের চেয়ে দ্বিগুণ। বিশেষ করে সদর রোড, নথুল্লাবাদ ও রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দিনের বেলায় ৯০ ডেসিবেলের উপরে শব্দ পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে আবাসিক এলাকায় ৫৫ ডেসিবেল থাকার কথা।”

মুজাহিদুল ইসলাম আরও বলেন, “শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো ও উচ্চ শব্দে মাইক বাজানো দণ্ডনীয় অপরাধ।”

তথ্যমতে, বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলার প্রতিটি উপজেলায় স্কুল-কলেজে ও মহাসড়কে উচ্চস্বরে হাইডোলিক হর্ন ও শব্দদূষণ নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয়েছে। তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের জনবল সংকটের রয়েছে।

এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, “বরিশালকে একটি বাসযোগ্য ও শব্দমুক্তনগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তারাও কাজ করবেন। পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তরের ও বিআরটির এটি কাজ। তারা অবশ্যই মনিটরিং করবেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে ড্রাইভার চালকদের সচেতনের অভাব রয়েছে। এখানে স্লো করে হর্ন না বাজালে ভালো হয়। তবে এটি প্রতিরোধ করতে হলে সম্বলিত প্রচেষ্টার দরকার।”

অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার আরও বলেন, “ব্যাটারিচালিত রিকশা ও মাহেন্দ্রার অপ্রয়োজনীয় হর্ন এবং বিয়ে বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের উচ্চশব্দে মাইক ব্যবহার, শব্দদূষণ রোধে পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ ও ট্রাফিক পুলিশের সাথে সমন্বয় করে কাজ করা হবে। আমরা একটি চিঠি দিয়ে এবিষয়ে জানাবো।”

জানতে চাইলে বরিশাল বিআরটিএ-এর মোটরযান পরিদর্শক সৌরভ কুমার সাহা বলেন, “শব্দদূষণ রোধে বিআরটিএ ইতোমধ্যে নথুল্লাবাদ, রূপাতলীসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে।”

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুঠোফোনে কল করা হলে রিসিভ করেননি।

নগরবাসী বলছে, শুধু জরিমানা নয়, নিয়মিত মনিটরিং ও চালকদের প্রশিক্ষণ দিলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে না।  অন্যদিকে, সিটি করপোরেশন বলছে তারা শব্দদূষণ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বরিশালে শব্দদূষণে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বরিশাল নগরীতে মাত্রাতিরিক্ত শব্দ দূষণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হাইড্রোলিক হর্ন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিকট শব্দ, কল-কারখানা ও রাজনৈতিক-সামাজিক অনুষ্ঠানের মাইকের উচ্চ শব্দে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে নগরবাসী। শব্দ দূষণ থেকে মুক্তি চায় নগরবাসি। 

সরেজমিনে বুধবার (১৬) সেপ্টেম্বর দেখা যায়, নগরীর সদর রোড, চৌমাথা, নথুল্লাবাদ, রূপাতলী ও বটতলা এলাকা আমতলা মোড়ে সহ নগরীতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অবিরাম হর্ন বাজানো হয়। হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ ও আবাসিক এলাকাতেও মানা হচ্ছে না শব্দের মাত্রা। ফলে শিশু, বৃদ্ধ ও হৃদরোগীরা চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন।

এছাড়া নগরীতে রাতের বেলায় নতুনবাজার এলাকায় সুগন্ধা পোল্টি ফিডের অপরপাশে বহুতল ভবনে রাতের বেলায় পাইলিং ডাম্পিং করার শব্দদূষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একইভাবে বরিশাল চৈতান স্কুল রোডে অফসো স্যালাইন ফার্মাসিটিক্যাল ঔষধ কোম্পানির জেনারেটরের তীব্র শব্দে ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষকসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। 

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ড. শিহাব উদ্দিন বলেন, “দীর্ঘদিন উচ্চ শব্দের মধ্যে থাকলে শ্রবণশক্তি হ্রাস, উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা ও মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়। বরিশালে এখন শব্দদূষণ সহনীয় মাত্রার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। এটি এখনই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে না এলে এটি পরবর্তীতে জনজীবনে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়তে পারে। ”

নগরীর জেলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন, “ক্লাস চলাকালীন বাইরের হর্ন ও মাইকের শব্দে পাঠদান ব্যাহত হয়। শিক্ষার্থীরা এই শব্দদূষণের কারণে পড়ালেখায় মনোযোগ হারিয়ে ফেলছে। তাই অতি দ্রুত এই শব্দদূষণ প্রতিরোধ করতে হবে।” নগরীর সচেতন নাগরিকদের এ বিষয়ে নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। 

পরিবেশ অধিদপ্তর বরিশালের তথ্যমতে, আবাসিক এলাকায় দিনের বেলায় ৫৫ ডেসিবেল এবং রাতে ৪৫ ডেসিবেল শব্দের মানমাত্রা নির্ধারিত। কিন্তু বরিশাল নগরীতে তা ৯০ থেকে ১০০ ডেসিবেল পর্যন্ত ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

বরিশাল নগরীর শব্দ দূষণ নিয়ে জানতে চাইলে মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক শাহনামার সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, “শব্দদূষণ এখন বরিশাল নগরীর অন্যতম প্রধান সমস্যা। যানবাহনের অসহনীয় হর্ন, অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন এবং যত্রতত্র মাইকের ব্যবহারে নগরজীবন অতিষ্ঠ। বিশেষ করে সদর রোড ও হাসপাতাল এলাকায় রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।”

আবুল কালাম আজাদ আরও বলেন, “শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না, গণমাধ্যমের মাধ্যমে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। আমরা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর উদ্যোগ নেব। ”

বরিশাল সচেতন নাগরিক কমিটিন (সনাক) সভাপতি প্রফেসর শাহ্ সাজেদা বলেন, “বরিশাল এখন শব্দদূষণের নগরীতে পরিণত হয়েছে। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আদালতের মতো নীরব এলাকাতেও হাইড্রোলিক হর্ন ও মাইকের অবাধ ব্যবহার চলছে। এটি শুধু পরিবেশের জন্য নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। প্রশাসনকে শুধু আইন নয়, সচেতনতামূলক কার্যক্রমও জোরদার করতে হবে। আমরা অতিদ্রুত একটি সমন্বিত উদ্যোগ চাই।”

এ বিষয়ে কথা হয় বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মুজাহিদুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন, “আমরা নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে শব্দের মাত্রা পরিমাপ করেছি। প্রায় সব জায়গাতেই শব্দের মাত্রা আদর্শ মানের চেয়ে দ্বিগুণ। বিশেষ করে সদর রোড, নথুল্লাবাদ ও রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দিনের বেলায় ৯০ ডেসিবেলের উপরে শব্দ পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে আবাসিক এলাকায় ৫৫ ডেসিবেল থাকার কথা।”

মুজাহিদুল ইসলাম আরও বলেন, “শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো ও উচ্চ শব্দে মাইক বাজানো দণ্ডনীয় অপরাধ।”

তথ্যমতে, বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলার প্রতিটি উপজেলায় স্কুল-কলেজে ও মহাসড়কে উচ্চস্বরে হাইডোলিক হর্ন ও শব্দদূষণ নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয়েছে। তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের জনবল সংকটের রয়েছে।

এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, “বরিশালকে একটি বাসযোগ্য ও শব্দমুক্তনগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তারাও কাজ করবেন। পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তরের ও বিআরটির এটি কাজ। তারা অবশ্যই মনিটরিং করবেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে ড্রাইভার চালকদের সচেতনের অভাব রয়েছে। এখানে স্লো করে হর্ন না বাজালে ভালো হয়। তবে এটি প্রতিরোধ করতে হলে সম্বলিত প্রচেষ্টার দরকার।”

অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার আরও বলেন, “ব্যাটারিচালিত রিকশা ও মাহেন্দ্রার অপ্রয়োজনীয় হর্ন এবং বিয়ে বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের উচ্চশব্দে মাইক ব্যবহার, শব্দদূষণ রোধে পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ ও ট্রাফিক পুলিশের সাথে সমন্বয় করে কাজ করা হবে। আমরা একটি চিঠি দিয়ে এবিষয়ে জানাবো।”

জানতে চাইলে বরিশাল বিআরটিএ-এর মোটরযান পরিদর্শক সৌরভ কুমার সাহা বলেন, “শব্দদূষণ রোধে বিআরটিএ ইতোমধ্যে নথুল্লাবাদ, রূপাতলীসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে।”

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুঠোফোনে কল করা হলে রিসিভ করেননি।

নগরবাসী বলছে, শুধু জরিমানা নয়, নিয়মিত মনিটরিং ও চালকদের প্রশিক্ষণ দিলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে না।  অন্যদিকে, সিটি করপোরেশন বলছে তারা শব্দদূষণ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাচ্ছে না।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত