সংবাদ

সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১৮ বাংলাদেশি


প্রতিনিধি, বেনাপোল (যশোর)
প্রতিনিধি, বেনাপোল (যশোর)
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৮ পিএম

সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১৮ বাংলাদেশি
ছবি : সংবাদ

ভারতে বিভিন্ন সময় পাচারের শিকার শিশুসহ ১৮ জন বাংলাদেশি নারী-পুরুষ ও শিশুকে সাজাভোগ শেষে দেশে ফেরত আনা হয়েছে। এদের মধ্যে মানসিক অসুস্থতার কারণে ১৫ বছর আগে নিখোঁজ হওয়া ৩৫ বছর বয়সী আনজু বেগমও রয়েছেন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে। ফেরত আসা ব্যক্তিরা খুলনা, সাতক্ষীরা, গাইবান্ধা, নরসিংদী, বরিশাল, যশোর, গোপালগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলার বাসিন্দা।

ফেরত আসারা হলেন-সিয়াম হাওলাদার, নিউটন কুমার, জয় কুমার, আনজু বেগম, শাপলা খাতুন, সাকিবুল সরদার, আব্দুর রহমান, স্বপন জোহা, শাহীন মোল্লা, লিমা বালাভ, সুমি খাতুন, পপি রায়, সনি আক্তার, সালমান, জান্নাতি খাতুন, ইশারত জাহান শ্রাবণী, বাসন্তী রায় ও মেহেদী হাসান।

সংবাদ সূত্রে জানা যায়, মানসিক ভারসাম্যহীন আনজু বেগম ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ভোমরাদহ ইউনিয়নের জোসনা বেগমের মেয়ে। প্রায় ১৫ বছর আগে তিনি নিখোঁজ হয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে চলে যান। ২০১৭ সালে কলকাতার একটি হাসপাতালে তার সন্ধান মেলে। পরবর্তীতে মানবিক সহায়তা সংস্থা ‘ঈশ্বর সংকল্প’-এর আশ্রয়ে রাখা হয় তাকে। সেখান থেকে অ্যামেচার রেডিও সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকার বনানী রোটারি ক্লাবের সদস্য মো. শামসুল হুদার প্রচেষ্টায় দীর্ঘ দিন পর আনজুকে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ও পশ্চিমবঙ্গের নারী-শিশু পাচার রোধবিষয়ক টাস্কফোর্সের সমন্বিত প্রচেষ্টায় তাদের ফিরিয়ে আনা হয়। অবৈধ অনুপ্রবেশের পর এরা ভারতের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে (হোম) হেফাজতে ছিলেন।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা স্বজনদের হাতে তাদের তুলে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১৮ বাংলাদেশি

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ভারতে বিভিন্ন সময় পাচারের শিকার শিশুসহ ১৮ জন বাংলাদেশি নারী-পুরুষ ও শিশুকে সাজাভোগ শেষে দেশে ফেরত আনা হয়েছে। এদের মধ্যে মানসিক অসুস্থতার কারণে ১৫ বছর আগে নিখোঁজ হওয়া ৩৫ বছর বয়সী আনজু বেগমও রয়েছেন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে। ফেরত আসা ব্যক্তিরা খুলনা, সাতক্ষীরা, গাইবান্ধা, নরসিংদী, বরিশাল, যশোর, গোপালগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলার বাসিন্দা।

ফেরত আসারা হলেন-সিয়াম হাওলাদার, নিউটন কুমার, জয় কুমার, আনজু বেগম, শাপলা খাতুন, সাকিবুল সরদার, আব্দুর রহমান, স্বপন জোহা, শাহীন মোল্লা, লিমা বালাভ, সুমি খাতুন, পপি রায়, সনি আক্তার, সালমান, জান্নাতি খাতুন, ইশারত জাহান শ্রাবণী, বাসন্তী রায় ও মেহেদী হাসান।

সংবাদ সূত্রে জানা যায়, মানসিক ভারসাম্যহীন আনজু বেগম ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ভোমরাদহ ইউনিয়নের জোসনা বেগমের মেয়ে। প্রায় ১৫ বছর আগে তিনি নিখোঁজ হয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে চলে যান। ২০১৭ সালে কলকাতার একটি হাসপাতালে তার সন্ধান মেলে। পরবর্তীতে মানবিক সহায়তা সংস্থা ‘ঈশ্বর সংকল্প’-এর আশ্রয়ে রাখা হয় তাকে। সেখান থেকে অ্যামেচার রেডিও সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকার বনানী রোটারি ক্লাবের সদস্য মো. শামসুল হুদার প্রচেষ্টায় দীর্ঘ দিন পর আনজুকে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ও পশ্চিমবঙ্গের নারী-শিশু পাচার রোধবিষয়ক টাস্কফোর্সের সমন্বিত প্রচেষ্টায় তাদের ফিরিয়ে আনা হয়। অবৈধ অনুপ্রবেশের পর এরা ভারতের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে (হোম) হেফাজতে ছিলেন।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা স্বজনদের হাতে তাদের তুলে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত