পড়াশোনা শেষে চাকরিতে প্রবেশের প্রস্তুতি অনেকেই শুরু করেন শেষ বর্ষ থেকেই। সরকারি চাকরির পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রেও লিখিত বা প্রাথমিক বাছাইয়ের পর মৌখিক পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয় প্রার্থীদের। তাই ভাইভায় কী ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে, সে বিষয়ে আগাম ধারণা থাকা প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
মৌখিক পরীক্ষায় প্রার্থীর শিক্ষাগত
যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার পাশাপাশি ব্যক্তিত্ব, কাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি, সমস্যা সমাধানের
সক্ষমতা এবং নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়ও জানতে চাওয়া হতে পারে। ক্যারিয়ারবিষয়ক
লেখক ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে চাকরির সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য ৩৮টি প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছে।
নিজের পরিচয় ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন
১. নিজের সম্পর্কে সংক্ষেপে বলুন।
২. আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে
জানতে চাই।
৩. আপনার কাজের অভিজ্ঞতা কী?
৪. আপনার জীবনবৃত্তান্ত সম্পর্কে
বলুন।
৫. আপনার প্রধান দক্ষতাগুলো কী?
৬. নিজের কোন গুণটির জন্য আপনি
সবচেয়ে বেশি গর্বিত?
৭. আপনার সবচেয়ে শক্তিশালী গুণ
কোনটি?
৮. কর্মক্ষেত্রে আপনার দুর্বলতা
কী?
৯. অন্য প্রার্থীদের তুলনায় আপনাকে
আলাদা করে এমন বিষয় কী?
১০. আপনি মনে করেন কি, এই পদের
জন্য আপনি অতিরিক্ত যোগ্য?
প্রতিষ্ঠান ও কাজ নিয়ে প্রশ্ন
১১. আমাদের প্রতিষ্ঠান আপনাকে
কেন নিয়োগ দেবে বলে মনে করেন?
১২. নতুন প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশের
সঙ্গে কীভাবে নিজেকে মানিয়ে নেবেন?
১৩. নতুন পরিবেশে কাজ করার ক্ষেত্রে
আপনি কতটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?
১৪. যোগদানের পর প্রথম ৯০ দিনে
আপনার কাছ থেকে কী ধরনের ফল আশা করা যেতে পারে?
১৫. আগামী ছয় মাস বা এক বছরে
প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কীভাবে অবদান রাখতে পারবেন?
১৬. এই পদের দায়িত্বগুলোর মধ্যে
কোনটি আপনার কাছে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং মনে হয়?
১৭. কাজের ক্ষেত্রে আপনি কী ধরনের
চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত?
১৮. আপনার আগের কর্মস্থল ও এই
প্রতিষ্ঠানের কাজের মধ্যে কী পার্থক্য দেখতে পাচ্ছেন?
১৯. আপনি কীভাবে প্রতিষ্ঠানের
মূল্যবোধ বা সংস্কৃতি ব্যাখ্যা করবেন?
২০. আপনার আদর্শ কর্মপরিবেশ কেমন
হওয়া উচিত বলে মনে করেন?
অভিজ্ঞতা ও পূর্বের চাকরি নিয়ে
প্রশ্ন
২১. আগের চাকরি কেন ছেড়েছেন?
২২. সেখানে আপনার প্রধান দায়িত্বগুলো
কী ছিল?
২৩. আগের কর্মস্থলে বড় কোনো সমস্যা
বা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলেন কি? হলে কীভাবে সমাধান করেছেন?
২৪. আগের চাকরিতে আপনার সবচেয়ে
বড় সাফল্য কী?
২৫. কোনো ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা
আছে কি? থাকলে সেটি কীভাবে সামলেছেন?
২৬. নিজের ভুল থেকে কী শিখেছেন?
২৭. আগের চাকরিতে কোন বিষয়টি
আপনার সবচেয়ে ভালো লাগত?
২৮. কোন বিষয়টি সবচেয়ে বেশি অপছন্দ
করতেন?
২৯. পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠানের
কিছু নেতিবাচক দিক উল্লেখ করতে পারবেন?
৩০. আগের প্রতিষ্ঠানে কাজ করার
সময় কী ধরনের পরিবর্তন আনার সুযোগ পেয়েছিলেন?
দলগত কাজ ও ব্যক্তিগত দক্ষতা
৩১. আপনি কি দলগতভাবে কাজ করতে
স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?
৩২. সহকর্মীর সঙ্গে মতবিরোধ হলে
কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেন?
৩৩. সহকর্মীরা আপনার কাজ ও আচরণকে
কীভাবে মূল্যায়ন করবেন বলে মনে করেন?
৩৪. অফিসের প্রয়োজন হলে বাড়িতে
থেকেও কাজ করতে পারবেন?
৩৫. প্রয়োজন অনুযায়ী ভ্রমণ বা
কর্মসূত্রে অন্য জায়গায় যেতে আপনি কতটা প্রস্তুত?
ভাইভায় শুধু প্রশ্নের উত্তর জানলেই
যথেষ্ট নয়; উত্তর দেওয়ার ধরনও গুরুত্বপূর্ণ। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা
ও জীবনবৃত্তান্ত সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা উচিত। একই সঙ্গে যে প্রতিষ্ঠানে আবেদন
করা হয়েছে, সেটির কাজ ও সংশ্লিষ্ট পদের দায়িত্ব সম্পর্কে আগে থেকে জেনে গেলে প্রশ্নের
উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
তবে সব প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করার চেয়ে নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল রেখে সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্টভাবে উত্তর দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়াই বেশি কার্যকর। বিশেষ করে নিজের দুর্বলতা, চাকরি পরিবর্তনের কারণ, ব্যর্থতা কিংবা আগের কর্মস্থল সম্পর্কে প্রশ্ন এলে নেতিবাচক মন্তব্য না করে তথ্যভিত্তিক ও পেশাদারভাবে উত্তর দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পড়াশোনা শেষে চাকরিতে প্রবেশের প্রস্তুতি অনেকেই শুরু করেন শেষ বর্ষ থেকেই। সরকারি চাকরির পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রেও লিখিত বা প্রাথমিক বাছাইয়ের পর মৌখিক পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয় প্রার্থীদের। তাই ভাইভায় কী ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে, সে বিষয়ে আগাম ধারণা থাকা প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
মৌখিক পরীক্ষায় প্রার্থীর শিক্ষাগত
যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার পাশাপাশি ব্যক্তিত্ব, কাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি, সমস্যা সমাধানের
সক্ষমতা এবং নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়ও জানতে চাওয়া হতে পারে। ক্যারিয়ারবিষয়ক
লেখক ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে চাকরির সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য ৩৮টি প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছে।
নিজের পরিচয় ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন
১. নিজের সম্পর্কে সংক্ষেপে বলুন।
২. আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে
জানতে চাই।
৩. আপনার কাজের অভিজ্ঞতা কী?
৪. আপনার জীবনবৃত্তান্ত সম্পর্কে
বলুন।
৫. আপনার প্রধান দক্ষতাগুলো কী?
৬. নিজের কোন গুণটির জন্য আপনি
সবচেয়ে বেশি গর্বিত?
৭. আপনার সবচেয়ে শক্তিশালী গুণ
কোনটি?
৮. কর্মক্ষেত্রে আপনার দুর্বলতা
কী?
৯. অন্য প্রার্থীদের তুলনায় আপনাকে
আলাদা করে এমন বিষয় কী?
১০. আপনি মনে করেন কি, এই পদের
জন্য আপনি অতিরিক্ত যোগ্য?
প্রতিষ্ঠান ও কাজ নিয়ে প্রশ্ন
১১. আমাদের প্রতিষ্ঠান আপনাকে
কেন নিয়োগ দেবে বলে মনে করেন?
১২. নতুন প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশের
সঙ্গে কীভাবে নিজেকে মানিয়ে নেবেন?
১৩. নতুন পরিবেশে কাজ করার ক্ষেত্রে
আপনি কতটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?
১৪. যোগদানের পর প্রথম ৯০ দিনে
আপনার কাছ থেকে কী ধরনের ফল আশা করা যেতে পারে?
১৫. আগামী ছয় মাস বা এক বছরে
প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কীভাবে অবদান রাখতে পারবেন?
১৬. এই পদের দায়িত্বগুলোর মধ্যে
কোনটি আপনার কাছে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং মনে হয়?
১৭. কাজের ক্ষেত্রে আপনি কী ধরনের
চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত?
১৮. আপনার আগের কর্মস্থল ও এই
প্রতিষ্ঠানের কাজের মধ্যে কী পার্থক্য দেখতে পাচ্ছেন?
১৯. আপনি কীভাবে প্রতিষ্ঠানের
মূল্যবোধ বা সংস্কৃতি ব্যাখ্যা করবেন?
২০. আপনার আদর্শ কর্মপরিবেশ কেমন
হওয়া উচিত বলে মনে করেন?
অভিজ্ঞতা ও পূর্বের চাকরি নিয়ে
প্রশ্ন
২১. আগের চাকরি কেন ছেড়েছেন?
২২. সেখানে আপনার প্রধান দায়িত্বগুলো
কী ছিল?
২৩. আগের কর্মস্থলে বড় কোনো সমস্যা
বা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলেন কি? হলে কীভাবে সমাধান করেছেন?
২৪. আগের চাকরিতে আপনার সবচেয়ে
বড় সাফল্য কী?
২৫. কোনো ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা
আছে কি? থাকলে সেটি কীভাবে সামলেছেন?
২৬. নিজের ভুল থেকে কী শিখেছেন?
২৭. আগের চাকরিতে কোন বিষয়টি
আপনার সবচেয়ে ভালো লাগত?
২৮. কোন বিষয়টি সবচেয়ে বেশি অপছন্দ
করতেন?
২৯. পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠানের
কিছু নেতিবাচক দিক উল্লেখ করতে পারবেন?
৩০. আগের প্রতিষ্ঠানে কাজ করার
সময় কী ধরনের পরিবর্তন আনার সুযোগ পেয়েছিলেন?
দলগত কাজ ও ব্যক্তিগত দক্ষতা
৩১. আপনি কি দলগতভাবে কাজ করতে
স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?
৩২. সহকর্মীর সঙ্গে মতবিরোধ হলে
কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেন?
৩৩. সহকর্মীরা আপনার কাজ ও আচরণকে
কীভাবে মূল্যায়ন করবেন বলে মনে করেন?
৩৪. অফিসের প্রয়োজন হলে বাড়িতে
থেকেও কাজ করতে পারবেন?
৩৫. প্রয়োজন অনুযায়ী ভ্রমণ বা
কর্মসূত্রে অন্য জায়গায় যেতে আপনি কতটা প্রস্তুত?
ভাইভায় শুধু প্রশ্নের উত্তর জানলেই
যথেষ্ট নয়; উত্তর দেওয়ার ধরনও গুরুত্বপূর্ণ। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা
ও জীবনবৃত্তান্ত সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা উচিত। একই সঙ্গে যে প্রতিষ্ঠানে আবেদন
করা হয়েছে, সেটির কাজ ও সংশ্লিষ্ট পদের দায়িত্ব সম্পর্কে আগে থেকে জেনে গেলে প্রশ্নের
উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
তবে সব প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করার চেয়ে নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল রেখে সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্টভাবে উত্তর দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়াই বেশি কার্যকর। বিশেষ করে নিজের দুর্বলতা, চাকরি পরিবর্তনের কারণ, ব্যর্থতা কিংবা আগের কর্মস্থল সম্পর্কে প্রশ্ন এলে নেতিবাচক মন্তব্য না করে তথ্যভিত্তিক ও পেশাদারভাবে উত্তর দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন