বিভিন্ন সভা ও অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার বিনিময়ে মন্ত্রীদের সম্মানী গ্রহণের প্রক্রিয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমি দিনে কতটা মিটিং করি আপনারা জানেন? আমি কিন্তু কোনো সম্মানী নিই না। তাহলে আপনাদের কেন সম্মানী নিতে হবে?’
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সভাপতিত্ব করার সময় তিনি এসব কথা বলেন। একনেক সভায় উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা বৈঠকের এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্ত্রীদের দায়িত্ব মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, রাষ্ট্রীয় ও দাপ্তরিক কাজের অংশ হিসেবেই এসব সভা-অনুষ্ঠানে অংশ নিতে হয়, তাই পৃথক সম্মানী গ্রহণের কোনো যৌক্তিকতা নেই। এটি তাদের নিয়মিত দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।
একই সভায় সরকারি কেনাকাটায় অপচয় রোধ ও কৃচ্ছ্রসাধনের কড়া বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। দেশীয় পণ্যের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, দেশে যেসব পণ্য সহজলভ্য, সেগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করা বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য ফার্নিচারসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যয়বহুল বিদেশি বিলাসপণ্য আমদানির প্রবণতায় চরম অসন্তোষ ব্যক্ত করেন তিনি।
এ ছাড়া উন্নয়ন প্রকল্পের মালামাল প্রি-শিপমেন্ট পরিদর্শনের নামে সরকারি কর্মকর্তাদের ঘন ঘন বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে ক্ষোভ জানান তারেক রহমান। এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেন তিনি।
/

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিভিন্ন সভা ও অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার বিনিময়ে মন্ত্রীদের সম্মানী গ্রহণের প্রক্রিয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমি দিনে কতটা মিটিং করি আপনারা জানেন? আমি কিন্তু কোনো সম্মানী নিই না। তাহলে আপনাদের কেন সম্মানী নিতে হবে?’
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সভাপতিত্ব করার সময় তিনি এসব কথা বলেন। একনেক সভায় উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা বৈঠকের এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্ত্রীদের দায়িত্ব মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, রাষ্ট্রীয় ও দাপ্তরিক কাজের অংশ হিসেবেই এসব সভা-অনুষ্ঠানে অংশ নিতে হয়, তাই পৃথক সম্মানী গ্রহণের কোনো যৌক্তিকতা নেই। এটি তাদের নিয়মিত দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।
একই সভায় সরকারি কেনাকাটায় অপচয় রোধ ও কৃচ্ছ্রসাধনের কড়া বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। দেশীয় পণ্যের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, দেশে যেসব পণ্য সহজলভ্য, সেগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করা বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য ফার্নিচারসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যয়বহুল বিদেশি বিলাসপণ্য আমদানির প্রবণতায় চরম অসন্তোষ ব্যক্ত করেন তিনি।
এ ছাড়া উন্নয়ন প্রকল্পের মালামাল প্রি-শিপমেন্ট পরিদর্শনের নামে সরকারি কর্মকর্তাদের ঘন ঘন বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে ক্ষোভ জানান তারেক রহমান। এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেন তিনি।
/

আপনার মতামত লিখুন