পায়ের জাদুতে নিয়মিত মুগ্ধতা ছড়ানো লিওনেল মেসি এবার দেখা দিলেন ভিন্ন রূপে। চোখধাঁধানো এক হেডার গোল ও নিখুঁত এক অ্যাসিস্টে মেক্সিকোর ক্লাব ক্রুজ আজুলকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ‘ক্যাম্পেওনেস কাপ’-এর শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছে ইন্টার মায়ামি। দলের হয়ে অপর গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরো।
ঘরের মাঠ ন্যু স্টেডিয়ামে ম্যাচের ২৪তম মিনিটে লুইস সুয়ারেজ চমৎকার এক ক্রসে বল বাড়ান ডি-বক্সে। সেখান থেকেই লাফিয়ে উঠে হেডে বল জালে জড়ান ৩৯ বছর বয়সী মেসি। ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের পর এটিই কোনো ফাইনালের মঞ্চে মেসির প্রথম হেডার গোল। এর মাধ্যমে মায়ামির জার্সিতে মাত্র ১১৪ ম্যাচে ১০০তম গোলের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেললেন তিনি, যা তাঁর পেশাদার ক্যারিয়ারে যেকোনো ক্লাবের হয়ে দ্রুততম গোলের সেঞ্চুরি।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫তম মিনিটে সুয়ারেজ-মেসির মেলবন্ধনে আরও একটি গোল হলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। তবে ৮১তম মিনিটে সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে দেয় মায়ামি। মেসির নেওয়া নিখুঁত কর্নার কিক থেকে হেডে গোল করে দলের ২-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন কাসেমিরো। মায়ামির হয়ে কাসেমিরোর করা ৪টি গোলের ৩টিতেই সহায়তার ভূমিকা পালন করলেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
আক্রমণভাগের পাশাপাশি রক্ষণভাগেও দারুণ পারফর্ম করেছে মায়ামি। গোলরক্ষক ডেইন সেন্ট ক্লেয়ার ৪টি নিশ্চিত গোল প্রতিহত করে দলকে ক্লিনশিট ও শিরোপা এনে দিতে বড় অবদান রাখেন। উল্লেখ্য, মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ও মেক্সিকোর লিগা এমএক্স জয়ীদের নিয়ে প্রতিবছর এই এক ম্যাচের ‘ক্যাম্পেওনেস কাপ’ অনুষ্ঠিত হয়।
/

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পায়ের জাদুতে নিয়মিত মুগ্ধতা ছড়ানো লিওনেল মেসি এবার দেখা দিলেন ভিন্ন রূপে। চোখধাঁধানো এক হেডার গোল ও নিখুঁত এক অ্যাসিস্টে মেক্সিকোর ক্লাব ক্রুজ আজুলকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ‘ক্যাম্পেওনেস কাপ’-এর শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছে ইন্টার মায়ামি। দলের হয়ে অপর গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরো।
ঘরের মাঠ ন্যু স্টেডিয়ামে ম্যাচের ২৪তম মিনিটে লুইস সুয়ারেজ চমৎকার এক ক্রসে বল বাড়ান ডি-বক্সে। সেখান থেকেই লাফিয়ে উঠে হেডে বল জালে জড়ান ৩৯ বছর বয়সী মেসি। ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের পর এটিই কোনো ফাইনালের মঞ্চে মেসির প্রথম হেডার গোল। এর মাধ্যমে মায়ামির জার্সিতে মাত্র ১১৪ ম্যাচে ১০০তম গোলের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেললেন তিনি, যা তাঁর পেশাদার ক্যারিয়ারে যেকোনো ক্লাবের হয়ে দ্রুততম গোলের সেঞ্চুরি।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫তম মিনিটে সুয়ারেজ-মেসির মেলবন্ধনে আরও একটি গোল হলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। তবে ৮১তম মিনিটে সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে দেয় মায়ামি। মেসির নেওয়া নিখুঁত কর্নার কিক থেকে হেডে গোল করে দলের ২-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন কাসেমিরো। মায়ামির হয়ে কাসেমিরোর করা ৪টি গোলের ৩টিতেই সহায়তার ভূমিকা পালন করলেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
আক্রমণভাগের পাশাপাশি রক্ষণভাগেও দারুণ পারফর্ম করেছে মায়ামি। গোলরক্ষক ডেইন সেন্ট ক্লেয়ার ৪টি নিশ্চিত গোল প্রতিহত করে দলকে ক্লিনশিট ও শিরোপা এনে দিতে বড় অবদান রাখেন। উল্লেখ্য, মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ও মেক্সিকোর লিগা এমএক্স জয়ীদের নিয়ে প্রতিবছর এই এক ম্যাচের ‘ক্যাম্পেওনেস কাপ’ অনুষ্ঠিত হয়।
/

আপনার মতামত লিখুন