যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য ইরানের একটি প্রতিনিধিদলকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে মার্কিন সরকার। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছেন।
অনুমোদিত ওই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও নিউইয়র্কে আসছেন বলে জানা গেছে। স্বাগতিক দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেই তেহরানকে এই অনুমতি দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তবে গত বছরের তুলনায় এবার ইরানি প্রতিনিধিদলের সদস্যসংখ্যা অনেক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিনিধিদলের নেতাদের চলাচলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং বিলাসবহুল কোনো পণ্য ক্রয়ের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ থাকবে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালানোর পর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এর জবাবে তেহরান আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের অত্যন্ত সংবেদনশীল রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ অবরুদ্ধ করে দেয়।
এদিকে, ইরানি প্রতিনিধিদলকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও বিপরীত সিদ্ধান্ত দেখা গেছে ফিলিস্তিনের ক্ষেত্রে। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ও তার সরকারের কর্মকর্তাদের জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রশাসনিক সংস্কারে ব্যর্থতা এবং শান্তির সম্ভাবনা ক্ষুণ্ন করার অভিযোগেই ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের ওপর এই ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো নিউইযর্ক সফরে বাধা পেলেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট।
/

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য ইরানের একটি প্রতিনিধিদলকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে মার্কিন সরকার। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছেন।
অনুমোদিত ওই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও নিউইয়র্কে আসছেন বলে জানা গেছে। স্বাগতিক দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেই তেহরানকে এই অনুমতি দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তবে গত বছরের তুলনায় এবার ইরানি প্রতিনিধিদলের সদস্যসংখ্যা অনেক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিনিধিদলের নেতাদের চলাচলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং বিলাসবহুল কোনো পণ্য ক্রয়ের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ থাকবে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালানোর পর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এর জবাবে তেহরান আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের অত্যন্ত সংবেদনশীল রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ অবরুদ্ধ করে দেয়।
এদিকে, ইরানি প্রতিনিধিদলকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও বিপরীত সিদ্ধান্ত দেখা গেছে ফিলিস্তিনের ক্ষেত্রে। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ও তার সরকারের কর্মকর্তাদের জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রশাসনিক সংস্কারে ব্যর্থতা এবং শান্তির সম্ভাবনা ক্ষুণ্ন করার অভিযোগেই ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের ওপর এই ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো নিউইযর্ক সফরে বাধা পেলেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট।
/

আপনার মতামত লিখুন