দেশের সব জেলা পরিষদের ভবন, অডিটোরিয়াম, ডাকবাংলো এবং হাটবাজারের ছাদে এবার বাধ্যতামূলকভাবে সোলার সিস্টেম চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার ঘটানোর লক্ষে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে সম্প্রতি এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর জারি করা ওই জরুরি নির্দেশনায় দেশের সকল জেলা পরিষদের প্রশাসক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের এই কার্যক্রম আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য কড়া তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই বিশেষ পদক্ষেপে গ্রামীণ জনপদে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নতুন এই নির্দেশনার আওতায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ছাদে ন্যূনতম দুই ঘণ্টার ব্যাকআপ সুবিধাসহ আধুনিক সোলার প্যানেল স্থাপন করতে হবে। এই কাজের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি এবং অভ্যন্তরীণ রাজস্ব তহবিলের অর্থ ব্যবহার করতে পারবে।
যেসব জেলা পরিষদ আর্থিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ, তাদের নিজেদের অর্থায়নে দ্রুত এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, তুলনামূলক কম সচ্ছল বা আর্থিক সংকটে থাকা জেলা পরিষদগুলো বিদ্যুৎ বিতরণকারী কোম্পানির তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি বাস্তবায়ন গাইডলাইন অনুসরণ করে কাজটি সম্পন্ন করবে।
তবে কাজের মান দীর্ঘস্থায়ী করতে প্যানেল স্থাপনকারী কোম্পানির সঙ্গে পরবর্তী বিশ বছরের জন্য নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে বাধ্যতামূলকভাবে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের চুক্তি করতে হবে।
সৌরবিদ্যুৎ চালুর এই উদ্যোগে শুধু নিজস্ব চাহিদা মিটেই শেষ নয়, বরং এক নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পর যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত থাকবে, তা নেট মিটারিং পদ্ধতির মাধ্যমে সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
জাতীয় গ্রিডে এই উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করার বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ‘নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫’ অনুযায়ী প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে আকর্ষণীয় মূল্য পাবে। এর মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর নিজস্ব কোনো বড় বিনিয়োগ ছাড়াই প্রতি মাসে স্থায়ী ও চমৎকার একটি অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয় নিশ্চিত হবে, যা স্থানীয় উন্নয়নমূলক কাজে দারুণ ভূমিকা রাখবে।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের সব জেলা পরিষদের ভবন, অডিটোরিয়াম, ডাকবাংলো এবং হাটবাজারের ছাদে এবার বাধ্যতামূলকভাবে সোলার সিস্টেম চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার ঘটানোর লক্ষে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে সম্প্রতি এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর জারি করা ওই জরুরি নির্দেশনায় দেশের সকল জেলা পরিষদের প্রশাসক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের এই কার্যক্রম আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য কড়া তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই বিশেষ পদক্ষেপে গ্রামীণ জনপদে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নতুন এই নির্দেশনার আওতায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ছাদে ন্যূনতম দুই ঘণ্টার ব্যাকআপ সুবিধাসহ আধুনিক সোলার প্যানেল স্থাপন করতে হবে। এই কাজের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি এবং অভ্যন্তরীণ রাজস্ব তহবিলের অর্থ ব্যবহার করতে পারবে।
যেসব জেলা পরিষদ আর্থিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ, তাদের নিজেদের অর্থায়নে দ্রুত এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, তুলনামূলক কম সচ্ছল বা আর্থিক সংকটে থাকা জেলা পরিষদগুলো বিদ্যুৎ বিতরণকারী কোম্পানির তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি বাস্তবায়ন গাইডলাইন অনুসরণ করে কাজটি সম্পন্ন করবে।
তবে কাজের মান দীর্ঘস্থায়ী করতে প্যানেল স্থাপনকারী কোম্পানির সঙ্গে পরবর্তী বিশ বছরের জন্য নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে বাধ্যতামূলকভাবে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের চুক্তি করতে হবে।
সৌরবিদ্যুৎ চালুর এই উদ্যোগে শুধু নিজস্ব চাহিদা মিটেই শেষ নয়, বরং এক নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পর যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত থাকবে, তা নেট মিটারিং পদ্ধতির মাধ্যমে সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
জাতীয় গ্রিডে এই উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করার বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ‘নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫’ অনুযায়ী প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে আকর্ষণীয় মূল্য পাবে। এর মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর নিজস্ব কোনো বড় বিনিয়োগ ছাড়াই প্রতি মাসে স্থায়ী ও চমৎকার একটি অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয় নিশ্চিত হবে, যা স্থানীয় উন্নয়নমূলক কাজে দারুণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন