সংবাদ

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৮৯ লাখ টাকা, ১৫ দেশের মুদ্রা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৮৯ লাখ টাকা, ১৫ দেশের মুদ্রা

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্স ও ডেগগুলো থেকে রেকর্ড পরিমাণ নগদ অর্থ ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে দীর্ঘ গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য জানিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

এর আগে একই দিন সকাল ৯টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মাজার প্রাঙ্গণে সিলগালা অবস্থায় থাকা তিনটি বড় ডেগ এবং পাঁচটি দানবাক্স খোলা হয়। এরপর থেকেই শুরু হয় দিনব্যাপী গণনার কাজ।

গণনা শেষে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, এবার ঠিক এক মাস সময়ের ব্যবধানে মাজারের পাঁচটি দানবাক্স ও তিনটি ডেগ থেকে নগদ ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৮ টাকা পাওয়া গেছে। নগদ টাকার পাশাপাশি এই পবিত্র স্থান থেকে ১ ভরি ৯ আনা ২ রতি ওজনের স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করা হয়েছে, যা ভক্তদের অগাধ বিশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ।

মাজারের দানবাক্সগুলোতে দেশীয় মুদ্রার পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের ফেলে যাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার এক বিশাল সমাহার দেখা গেছে। প্রশাসক জানান, উদ্ধার বৈদেশিক মুদ্রার তালিকায় রয়েছে যুক্তরাজ্যের ৫ পাউন্ড, ভারতের ৩ হাজার ৯৯৪ রুপি, থাইল্যান্ডের ৫ বাত, সৌদি আরবের ৯৯ রিয়াল ২৫ পয়সা এবং মালয়েশিয়ার ২৯ রিঙ্গিত।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ৮ ডলার ২ সেন্ট, ওমানের ৯০৩ বায়সা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৫৭ দিরহাম ২৫ সেন, ইরাকের ১ দিনার ও কাতারের ২১ রিয়াল ৫০ পয়সাও পাওয়া গেছে। এর পাশাপাশি ইউরোপের ৩০ ইউরো ১০ সেন্ট, বাহরাইনের ০.০২৫ পয়সা, পাপুয়া নিউ গিনির ৫০ কিনা, চীনের ১৫ ইউয়ান এবং ইন্দোনেশিয়ার ৫ হাজার রুপিয়াহও এই দানবাক্সগুলোতে জমা পড়েছে।

মাজার কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, এর আগে সর্বশেষ গত ১৫ আগস্ট দানবাক্স ও ডেগগুলো খোলা হয়েছিল, যেখানে গণনা করে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। তারও আগে ১১ জুলাই ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা এবং ২২ জুন ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৮৯ লাখ টাকা, ১৫ দেশের মুদ্রা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্স ও ডেগগুলো থেকে রেকর্ড পরিমাণ নগদ অর্থ ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে দীর্ঘ গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য জানিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

এর আগে একই দিন সকাল ৯টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মাজার প্রাঙ্গণে সিলগালা অবস্থায় থাকা তিনটি বড় ডেগ এবং পাঁচটি দানবাক্স খোলা হয়। এরপর থেকেই শুরু হয় দিনব্যাপী গণনার কাজ।

গণনা শেষে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, এবার ঠিক এক মাস সময়ের ব্যবধানে মাজারের পাঁচটি দানবাক্স ও তিনটি ডেগ থেকে নগদ ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৮ টাকা পাওয়া গেছে। নগদ টাকার পাশাপাশি এই পবিত্র স্থান থেকে ১ ভরি ৯ আনা ২ রতি ওজনের স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করা হয়েছে, যা ভক্তদের অগাধ বিশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ।

মাজারের দানবাক্সগুলোতে দেশীয় মুদ্রার পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের ফেলে যাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার এক বিশাল সমাহার দেখা গেছে। প্রশাসক জানান, উদ্ধার বৈদেশিক মুদ্রার তালিকায় রয়েছে যুক্তরাজ্যের ৫ পাউন্ড, ভারতের ৩ হাজার ৯৯৪ রুপি, থাইল্যান্ডের ৫ বাত, সৌদি আরবের ৯৯ রিয়াল ২৫ পয়সা এবং মালয়েশিয়ার ২৯ রিঙ্গিত।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ৮ ডলার ২ সেন্ট, ওমানের ৯০৩ বায়সা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৫৭ দিরহাম ২৫ সেন, ইরাকের ১ দিনার ও কাতারের ২১ রিয়াল ৫০ পয়সাও পাওয়া গেছে। এর পাশাপাশি ইউরোপের ৩০ ইউরো ১০ সেন্ট, বাহরাইনের ০.০২৫ পয়সা, পাপুয়া নিউ গিনির ৫০ কিনা, চীনের ১৫ ইউয়ান এবং ইন্দোনেশিয়ার ৫ হাজার রুপিয়াহও এই দানবাক্সগুলোতে জমা পড়েছে।

মাজার কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, এর আগে সর্বশেষ গত ১৫ আগস্ট দানবাক্স ও ডেগগুলো খোলা হয়েছিল, যেখানে গণনা করে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। তারও আগে ১১ জুলাই ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা এবং ২২ জুন ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত