সংবাদ

ভোজ্য তেলের সংকট কাটাতে হবে


প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ এএম

ভোজ্য তেলের সংকট কাটাতে হবে

রাজধানীর খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট এখনো কাটেনি। বিশেষ করে আধা লিটার ও এক লিটারের বোতল পাওয়া যাচ্ছে না বললেই চলে। ফলে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন অনেক ক্রেতা। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা বেড়ে ২০৪ টাকা হয়েছে। তারপরও ভোক্তারা চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না। সয়বানি তেলের পাশাপাশি আটা ও ময়দার দামও বেড়েছে। এক মাসে খোলা আটার দাম কেজিতে ৫ টাকা এবং ময়দার দাম ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। বাজারে কয়েকটি সবজির দামও বেশ চড়া। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃষ্টির কারণে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। অবশ্য ডিম ও কয়েক ধরনের মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। মাছের বাজারও মোটামুটি স্থিতিশীল। সব মিলিয়ে নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি এখনো ফেরেনি। বিশেষ করে ভোজ্য তেলের মতো জরুরি পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হওয়া উদ্বেগজনক। দাম বাড়ানোর পরও যদি বাজারে পণ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ভোক্তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ে। তেল পরিশোধন ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কেন প্রয়োজন অনুযায়ী বোতলজাত তেল বাজারে ছাড়ছে না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে কি না সেটিও নজরে রাখতে হবে। ভোজ্য তেলের এই সংকট দেশে নতুন নয়। এর আগেও দেখা গেছে, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী ভোজ্যতেল পাওয়া যায় না। সাধারণত দাম বাড়ানোর সময় এর সংকট তৈরি হয়। এর কারণ কী সেটা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি আটা, ময়দা ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের সরবরাহ ও দাম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। বাজারে পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ভোজ্য তেলের সংকট কাটাতে হবে

প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রাজধানীর খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট এখনো কাটেনি। বিশেষ করে আধা লিটার ও এক লিটারের বোতল পাওয়া যাচ্ছে না বললেই চলে। ফলে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন অনেক ক্রেতা। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা বেড়ে ২০৪ টাকা হয়েছে। তারপরও ভোক্তারা চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না। সয়বানি তেলের পাশাপাশি আটা ও ময়দার দামও বেড়েছে। এক মাসে খোলা আটার দাম কেজিতে ৫ টাকা এবং ময়দার দাম ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। বাজারে কয়েকটি সবজির দামও বেশ চড়া। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃষ্টির কারণে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। অবশ্য ডিম ও কয়েক ধরনের মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। মাছের বাজারও মোটামুটি স্থিতিশীল। সব মিলিয়ে নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি এখনো ফেরেনি। বিশেষ করে ভোজ্য তেলের মতো জরুরি পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হওয়া উদ্বেগজনক। দাম বাড়ানোর পরও যদি বাজারে পণ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ভোক্তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ে। তেল পরিশোধন ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কেন প্রয়োজন অনুযায়ী বোতলজাত তেল বাজারে ছাড়ছে না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে কি না সেটিও নজরে রাখতে হবে। ভোজ্য তেলের এই সংকট দেশে নতুন নয়। এর আগেও দেখা গেছে, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী ভোজ্যতেল পাওয়া যায় না। সাধারণত দাম বাড়ানোর সময় এর সংকট তৈরি হয়। এর কারণ কী সেটা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি আটা, ময়দা ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের সরবরাহ ও দাম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। বাজারে পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত