রাজধানীর গুলশান, বনানী, নিকেতন, বারিধারা ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধেরে লক্ষে প্রধানমন্ত্রী সমন্বিত উদ্যোগ নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার বিকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দিয়েছেন।
লেক দূষণমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু নির্দেশনা দিলেই লেকের দূষণ বন্ধ হবে না। এর জন্য দরকার নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা। নিয়মিত তদারকি থাকাও জরুরি।
লেক দূষণের প্রধান কারণ পয়ঃবর্জ্য ও অপরিশোধিত বর্জ্যপানি। রাজধানীর বিভিন্ন ভবন থেকে এসব বর্জ্য সরাসরি লেকে পড়ছে। কোথা দিয়ে লেকগুলোতে বর্জ্য ঢুকছে, তা চিহ্নিতও হয়েছে। এখন জরুরি হচ্ছে, সেসব সংযোগ দ্রুত বন্ধ করা। ঢাকার বহুতল ভবনে কার্যকর বর্জ্য শোধনব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
লেকের তলদেশে বছরের পর বছর জমে থাকা কাদা ও বর্জ্যও বড় সমস্যা। শুধু পানি পরিষ্কার করলেই হবে না, নিয়মিত কাদা ও বর্জ্য অপসারণ করতে হবে। একই সঙ্গে লেকের চারপাশে কঠিন বর্জ্য ও প্লাস্টিক ফেলা বন্ধ করতে হবে।
লেক দূষণমুক্ত করার কাজে একাধিক সরকারি সংস্থা যুক্ত। সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, রাজউক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্বও রয়েছে। সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব থাকলে কোনো উদ্যোগই টেকসই হবে না। তাই একটি সংস্থাকে মূল দায়িত্ব দিয়ে অন্যদের কাজের মধ্যে সুস্পষ্ট সমন্বয় করা দরকার।
লেক শুধু সৌন্দর্যের অংশ নয়। এটি নগরের পানি নিষ্কাশন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যরে জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। দূষিত লেক জনস্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করে। তাই পাঁচটি লেককে ঘিরে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা আশা করব, লেক রক্ষার পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর গুলশান, বনানী, নিকেতন, বারিধারা ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধেরে লক্ষে প্রধানমন্ত্রী সমন্বিত উদ্যোগ নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার বিকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দিয়েছেন।
লেক দূষণমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু নির্দেশনা দিলেই লেকের দূষণ বন্ধ হবে না। এর জন্য দরকার নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা। নিয়মিত তদারকি থাকাও জরুরি।
লেক দূষণের প্রধান কারণ পয়ঃবর্জ্য ও অপরিশোধিত বর্জ্যপানি। রাজধানীর বিভিন্ন ভবন থেকে এসব বর্জ্য সরাসরি লেকে পড়ছে। কোথা দিয়ে লেকগুলোতে বর্জ্য ঢুকছে, তা চিহ্নিতও হয়েছে। এখন জরুরি হচ্ছে, সেসব সংযোগ দ্রুত বন্ধ করা। ঢাকার বহুতল ভবনে কার্যকর বর্জ্য শোধনব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
লেকের তলদেশে বছরের পর বছর জমে থাকা কাদা ও বর্জ্যও বড় সমস্যা। শুধু পানি পরিষ্কার করলেই হবে না, নিয়মিত কাদা ও বর্জ্য অপসারণ করতে হবে। একই সঙ্গে লেকের চারপাশে কঠিন বর্জ্য ও প্লাস্টিক ফেলা বন্ধ করতে হবে।
লেক দূষণমুক্ত করার কাজে একাধিক সরকারি সংস্থা যুক্ত। সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, রাজউক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্বও রয়েছে। সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব থাকলে কোনো উদ্যোগই টেকসই হবে না। তাই একটি সংস্থাকে মূল দায়িত্ব দিয়ে অন্যদের কাজের মধ্যে সুস্পষ্ট সমন্বয় করা দরকার।
লেক শুধু সৌন্দর্যের অংশ নয়। এটি নগরের পানি নিষ্কাশন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যরে জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। দূষিত লেক জনস্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করে। তাই পাঁচটি লেককে ঘিরে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা আশা করব, লেক রক্ষার পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন