সুন্দরগঞ্জ পৌরবাসীর সুপেয় পানির সংকট দূর করতে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে পানি শোধনাগার নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মাণের পরও প্রায় দুই বছর ধরে এর পূর্ণাঙ্গ সুফল পাচ্ছেন না পৌরবাসী। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি ও অসহযোগিতার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, নির্মাণের পর ১২ মাস শোধনাগারটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু রাখার কথা ছিল। বাস্তবে মাত্র তিন মাস ১৯ দিন চালু রাখার পর এটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে দীর্ঘ সময় সেটি পড়ে থাকে। সম্প্রতি পৌরবাসীর মানববন্ধনের পর পরীক্ষামূলকভাবে আবার চালু করা হয়েছে। এতে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও তদারকির দুর্বলতাই স্পষ্ট হয়।
একটি জনসেবামূলক প্রকল্প নির্মাণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল পৌরবাসীকে নিরাপদ পানি দেওয়া। রাষ্ট্রের টাকা খরচ করা হয়েছে, অবকাঠামো তৈরি হয়েছে, অথচ মানুষ সেবা পায়নি। এতে রাষ্ট্রের টাকার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হয় না।
এ ক্ষেত্রে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায় থাকলে তাদের বিরুদ্ধে চুক্তি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বও খতিয়ে দেখা দরকার। শোধনাগারটি কেন সময়মতো চালু ও হস্তান্তর করা গেল না, তার জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।
সুন্দরগঞ্জের মানুষ আর আশ্বাস চায় না। তারা নিয়মিত সুপেয় পানি চান। তাই পরীক্ষামূলক চালুর পর যেন আবার এটি বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের টাকায় নির্মিত কোনো প্রকল্প বছরের পর বছর পড়ে থাকার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুন্দরগঞ্জ পৌরবাসীর সুপেয় পানির সংকট দূর করতে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে পানি শোধনাগার নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মাণের পরও প্রায় দুই বছর ধরে এর পূর্ণাঙ্গ সুফল পাচ্ছেন না পৌরবাসী। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি ও অসহযোগিতার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, নির্মাণের পর ১২ মাস শোধনাগারটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু রাখার কথা ছিল। বাস্তবে মাত্র তিন মাস ১৯ দিন চালু রাখার পর এটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে দীর্ঘ সময় সেটি পড়ে থাকে। সম্প্রতি পৌরবাসীর মানববন্ধনের পর পরীক্ষামূলকভাবে আবার চালু করা হয়েছে। এতে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও তদারকির দুর্বলতাই স্পষ্ট হয়।
একটি জনসেবামূলক প্রকল্প নির্মাণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল পৌরবাসীকে নিরাপদ পানি দেওয়া। রাষ্ট্রের টাকা খরচ করা হয়েছে, অবকাঠামো তৈরি হয়েছে, অথচ মানুষ সেবা পায়নি। এতে রাষ্ট্রের টাকার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হয় না।
এ ক্ষেত্রে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায় থাকলে তাদের বিরুদ্ধে চুক্তি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বও খতিয়ে দেখা দরকার। শোধনাগারটি কেন সময়মতো চালু ও হস্তান্তর করা গেল না, তার জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।
সুন্দরগঞ্জের মানুষ আর আশ্বাস চায় না। তারা নিয়মিত সুপেয় পানি চান। তাই পরীক্ষামূলক চালুর পর যেন আবার এটি বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের টাকায় নির্মিত কোনো প্রকল্প বছরের পর বছর পড়ে থাকার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন