ঢাকার দোহার উপজেলায় দুধে পানি মিশিয়ে বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার নারিশা ও মেঘুলা বাজারে অভিযান চালিয়ে তাদের এ জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভেজালযুক্ত দুধ নদীতে ফেলে বিনষ্ট করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাইদুল ইসলাম।
জানা গেছে, নারিশা ও মেঘুলা বাজারে দুধে পানি মেশানোর অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালানো হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দুধে পানি মেশানোর বিষয়টি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শামীম হোসেনসহ দোহার থানা-পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাজারে অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত দুধে পানি মিশিয়ে ক্রেতাদের প্রতারিত করছেন। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালানো প্রয়োজন, যাতে ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, 'ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যপণ্য বিক্রি বন্ধে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দুগ্ধজাত পণ্যসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকার দোহার উপজেলায় দুধে পানি মিশিয়ে বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার নারিশা ও মেঘুলা বাজারে অভিযান চালিয়ে তাদের এ জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভেজালযুক্ত দুধ নদীতে ফেলে বিনষ্ট করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাইদুল ইসলাম।
জানা গেছে, নারিশা ও মেঘুলা বাজারে দুধে পানি মেশানোর অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালানো হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দুধে পানি মেশানোর বিষয়টি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শামীম হোসেনসহ দোহার থানা-পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাজারে অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত দুধে পানি মিশিয়ে ক্রেতাদের প্রতারিত করছেন। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালানো প্রয়োজন, যাতে ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, 'ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যপণ্য বিক্রি বন্ধে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দুগ্ধজাত পণ্যসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

আপনার মতামত লিখুন