টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হত্যা মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সানিয়াত খান বাপ্পা (৩০) টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়ার সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে ও সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ছোট ভাই। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামি হলেন–কাগমারা এলাকার মো. আজাদ ফকির (২৫) ও শ্রীফলিয়াটা গ্রামের মো. শাহজাহান মিয়া (৩১)। তারা সবাই বর্তমানে পলাতক।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন–মো. সুজন (৩২) ও মো. সানোয়ার হোসেন (৩৪)। এই দুজন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক (২৫) ও রুজবেল ওরফে ইমন (২৫) পলাতক রয়েছেন।
রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের এক লাখ টাকা এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সঞ্জিত ঘোষ নামের এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সবাই স্থানীয় আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং সাবেক এমপি রানার অনুসারী বলে পরিচিত।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিউকিউটর (এপিপি) সাইদুর রহমান জানান, ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ভোরে টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর বটতলা কাঁচাবাজার এলাকায় প্রাতঃভ্রমণে বের হয়ে সন্ত্রাসীদের গুলি ও কোপানোর শিকারে খুন হন বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম ফারুক। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।
পুলিশ ২০১৫ সালে প্রথম অভিযোগপত্র জমা দিলেও বাদী নারাজি দিলে সিআইডি পুনরায় তদন্তের দায়িত্ব পায়। সিআইডি ২০১৮ সালে আট আসামির বিরুদ্ধে আদালতে সুনির্দিষ্ট অভিযোগপত্র পেশ করে। দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার এই বহুল আলোচিত রায় দিল আদালত।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে আনন্দ মিছিল বের করে নিহতের স্বজন ও স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শামিমুল আকতার উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হত্যা মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সানিয়াত খান বাপ্পা (৩০) টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়ার সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে ও সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ছোট ভাই। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামি হলেন–কাগমারা এলাকার মো. আজাদ ফকির (২৫) ও শ্রীফলিয়াটা গ্রামের মো. শাহজাহান মিয়া (৩১)। তারা সবাই বর্তমানে পলাতক।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন–মো. সুজন (৩২) ও মো. সানোয়ার হোসেন (৩৪)। এই দুজন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক (২৫) ও রুজবেল ওরফে ইমন (২৫) পলাতক রয়েছেন।
রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের এক লাখ টাকা এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সঞ্জিত ঘোষ নামের এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সবাই স্থানীয় আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং সাবেক এমপি রানার অনুসারী বলে পরিচিত।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিউকিউটর (এপিপি) সাইদুর রহমান জানান, ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ভোরে টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর বটতলা কাঁচাবাজার এলাকায় প্রাতঃভ্রমণে বের হয়ে সন্ত্রাসীদের গুলি ও কোপানোর শিকারে খুন হন বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম ফারুক। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।
পুলিশ ২০১৫ সালে প্রথম অভিযোগপত্র জমা দিলেও বাদী নারাজি দিলে সিআইডি পুনরায় তদন্তের দায়িত্ব পায়। সিআইডি ২০১৮ সালে আট আসামির বিরুদ্ধে আদালতে সুনির্দিষ্ট অভিযোগপত্র পেশ করে। দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার এই বহুল আলোচিত রায় দিল আদালত।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে আনন্দ মিছিল বের করে নিহতের স্বজন ও স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শামিমুল আকতার উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন