চট্টগ্রামের রাউজানে ১২০ লিটার দেশি তৈরি চোলাই মদসহ সাইদুর রহমান সাদ্দাম (৩৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাত পৌনে তিনটার দিকে উপজেলার চিকদাইর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চিকদাইর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাদ্দাম স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে চিকদাইর গ্রামের হযরত উজির আলী শাহ ঈদগাহ মাঠের সামনের ইটের সলিং রাস্তায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা তিনটি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ১২০টি স্যালাইনের প্যাকেটে ভরা মোট ১২০ লিটার দেশি তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।
তবে সাইদুরের বাবার দাবি, তার ছেলেকে স্থানীয় একটি মাদক কারবারি চক্র চক্রান্ত করে ফাঁসিয়েছে। মো. ফরিদ মিয়া বলেন, ‘মাদক কারবারিরা আমার বাড়ির পাশে মদ রেখে ছেলেকে ফোন করে ডেকে নেয়, পরে পুলিশকে খবর দেয়। আমি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং আগামীতে সভাপতি পদ ও ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আমার ছেলেকে ফাঁসিয়ে আমার মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রাউজান থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তি প্রত্যক্ষভাবে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা তার নিজ বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে মদসহ তাকে হাতেনাতে ধরেছেন। তার বাবার দাবিটি একদমই ভিত্তিহীন অজুহাত মাত্র।’

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রামের রাউজানে ১২০ লিটার দেশি তৈরি চোলাই মদসহ সাইদুর রহমান সাদ্দাম (৩৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাত পৌনে তিনটার দিকে উপজেলার চিকদাইর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চিকদাইর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাদ্দাম স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে চিকদাইর গ্রামের হযরত উজির আলী শাহ ঈদগাহ মাঠের সামনের ইটের সলিং রাস্তায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা তিনটি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ১২০টি স্যালাইনের প্যাকেটে ভরা মোট ১২০ লিটার দেশি তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।
তবে সাইদুরের বাবার দাবি, তার ছেলেকে স্থানীয় একটি মাদক কারবারি চক্র চক্রান্ত করে ফাঁসিয়েছে। মো. ফরিদ মিয়া বলেন, ‘মাদক কারবারিরা আমার বাড়ির পাশে মদ রেখে ছেলেকে ফোন করে ডেকে নেয়, পরে পুলিশকে খবর দেয়। আমি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং আগামীতে সভাপতি পদ ও ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আমার ছেলেকে ফাঁসিয়ে আমার মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রাউজান থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তি প্রত্যক্ষভাবে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা তার নিজ বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে মদসহ তাকে হাতেনাতে ধরেছেন। তার বাবার দাবিটি একদমই ভিত্তিহীন অজুহাত মাত্র।’

আপনার মতামত লিখুন