উন্নয়নের অধিকারকে বাস্তবে রূপ দিতে বিশ্বের সকল দেশের যৌথ অঙ্গীকার, দায়িত্ববোধ ও সম্মিলিত উদ্যোগের জোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে আয়োজিত ‘উন্নয়নের অধিকার’ শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ‘জাতিসংঘের উন্নয়নের অধিকার বিষয়ক ঘোষণা’র ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই বিশেষ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান যৌথভাবে এই উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। ১৯৮৬ সালে গৃহীত এই ঐতিহাসিক ঘোষণায় সর্বজনীন, টেকসই ও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়নকে মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল।
সম্মেলনে বাংলাদেশের জনবান্ধব বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। বিশেষ করে সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ (ফার্মার কার্ড) কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় নারী ও যুবসমাজের সক্রিয় অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। কাউকে পেছনে না ফেলে একটি অন্তর্ভুক্তিভিত্তিক ‘রেইনবো নেশন’ (রংধনু জাতি) গড়ার লক্ষ্যের কথা তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
এ সময় বৈশ্বিক অগ্রগতির লক্ষ্যে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট অগ্রাধিকারমূলক প্রস্তাব পেশ করেন প্রতিমন্ত্রী। যার মধ্যে রয়েছে–
বিশ্বব্যাপী সমান সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এ সম্মেলনে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অংশীদাররা অংশগ্রহণ করেন।
/

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
উন্নয়নের অধিকারকে বাস্তবে রূপ দিতে বিশ্বের সকল দেশের যৌথ অঙ্গীকার, দায়িত্ববোধ ও সম্মিলিত উদ্যোগের জোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে আয়োজিত ‘উন্নয়নের অধিকার’ শীর্ষক এক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ‘জাতিসংঘের উন্নয়নের অধিকার বিষয়ক ঘোষণা’র ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই বিশেষ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান যৌথভাবে এই উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। ১৯৮৬ সালে গৃহীত এই ঐতিহাসিক ঘোষণায় সর্বজনীন, টেকসই ও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়নকে মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল।
সম্মেলনে বাংলাদেশের জনবান্ধব বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। বিশেষ করে সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ (ফার্মার কার্ড) কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় নারী ও যুবসমাজের সক্রিয় অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। কাউকে পেছনে না ফেলে একটি অন্তর্ভুক্তিভিত্তিক ‘রেইনবো নেশন’ (রংধনু জাতি) গড়ার লক্ষ্যের কথা তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
এ সময় বৈশ্বিক অগ্রগতির লক্ষ্যে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট অগ্রাধিকারমূলক প্রস্তাব পেশ করেন প্রতিমন্ত্রী। যার মধ্যে রয়েছে–
বিশ্বব্যাপী সমান সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এ সম্মেলনে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অংশীদাররা অংশগ্রহণ করেন।
/

আপনার মতামত লিখুন