১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সহকারী জজ/সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) আইন বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থী।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ফলাফল প্রকাশের পর ক্যাম্পাসে আনন্দের আবহ তৈরি হয়।
সুপারিশপ্রাপ্ত পাঁচ শিক্ষার্থী হলেন–২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের আফরিনা আনসারী তুলি, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের হাসান মাহমুদ ও এমদাদুল ইসলাম, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মোহাম্মদ শিবলু রহমান এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের দেবব্রত ভট্টাচার্য্য।
সাফল্যের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে দেবব্রত ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘আমি ৫ম ব্যাচের ছাত্র, কিছুদিন আগেই স্নাতক শেষ করেছি। বিজেএসের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এমন ফল সত্যি আনন্দের এবং একই সঙ্গে কিছুটা চমকের। পরিশ্রমের ফল যে মেলে, তা আবারও প্রমাণ হলো। শিক্ষক, পরিবার ও জ্যেষ্ঠদের প্রতি আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক মানসুরা খানম বলেন, ‘প্রথম ব্যাচ থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের পাঁচটি ব্যাচ বের হয়েছে। আগের পরীক্ষাগুলোতে তিনজন শিক্ষার্থী বিচারক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তবে এবারই প্রথম এক সঙ্গে পাঁচজন এই কৃতিত্ব দেখালেন। আনন্দের বিষয় হলো, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবার প্রথম কোনো নারী শিক্ষার্থীও বিচারক পদে সুপারিশ পেয়েছেন।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা সবসময় সেশনজটমুক্ত রেখে নির্দিষ্ট সময়ে পাঠদান ও স্নাতক শেষ করানোর চেষ্টা করি। ফলে শিক্ষার্থীরা সময়মতো জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে মূল কৃতিত্ব শিক্ষার্থীদের পরিশ্রমের। তারা যেন সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেন, সেই শুভকামনা রইল।’
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) আয়োজনে প্রাথমিক, লিখিত ও মৌখিক–এই তিন ধাপের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে দেশের বিচারবিভাগে নতুন বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সহকারী জজ/সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) আইন বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থী।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ফলাফল প্রকাশের পর ক্যাম্পাসে আনন্দের আবহ তৈরি হয়।
সুপারিশপ্রাপ্ত পাঁচ শিক্ষার্থী হলেন–২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের আফরিনা আনসারী তুলি, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের হাসান মাহমুদ ও এমদাদুল ইসলাম, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মোহাম্মদ শিবলু রহমান এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের দেবব্রত ভট্টাচার্য্য।
সাফল্যের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে দেবব্রত ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘আমি ৫ম ব্যাচের ছাত্র, কিছুদিন আগেই স্নাতক শেষ করেছি। বিজেএসের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এমন ফল সত্যি আনন্দের এবং একই সঙ্গে কিছুটা চমকের। পরিশ্রমের ফল যে মেলে, তা আবারও প্রমাণ হলো। শিক্ষক, পরিবার ও জ্যেষ্ঠদের প্রতি আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক মানসুরা খানম বলেন, ‘প্রথম ব্যাচ থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের পাঁচটি ব্যাচ বের হয়েছে। আগের পরীক্ষাগুলোতে তিনজন শিক্ষার্থী বিচারক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তবে এবারই প্রথম এক সঙ্গে পাঁচজন এই কৃতিত্ব দেখালেন। আনন্দের বিষয় হলো, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবার প্রথম কোনো নারী শিক্ষার্থীও বিচারক পদে সুপারিশ পেয়েছেন।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা সবসময় সেশনজটমুক্ত রেখে নির্দিষ্ট সময়ে পাঠদান ও স্নাতক শেষ করানোর চেষ্টা করি। ফলে শিক্ষার্থীরা সময়মতো জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে মূল কৃতিত্ব শিক্ষার্থীদের পরিশ্রমের। তারা যেন সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেন, সেই শুভকামনা রইল।’
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) আয়োজনে প্রাথমিক, লিখিত ও মৌখিক–এই তিন ধাপের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে দেশের বিচারবিভাগে নতুন বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন