চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়ার সময় ৬০০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ দুই পাচারকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। একই সঙ্গে পাচারকাজে ব্যবহৃত দুটি ট্রাকও জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের গণমাধ্যম কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সীতাকুণ্ড থানার বাঁশবাড়িয়া ঘাটসংলগ্ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড স্টেশন ভাটিয়ারী। অভিযানকালে দেখা যায়, ট্রাক থেকে কার্গো বোটে সার তুলে অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। পরে সেখান থেকে প্রায় ২১ লাখ টাকা মূল্যের ৬০০ বস্তা (৩০ হাজার কেজি) ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
অভিযান থেকে সার পাচারের অভিযোগে দুই পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সার পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, আটক ব্যক্তি, জব্দ করা সার ও ট্রাকগুলোর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলে চোরাচালান বন্ধে কোস্ট গার্ডের এমন বিশেষ নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়ার সময় ৬০০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ দুই পাচারকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। একই সঙ্গে পাচারকাজে ব্যবহৃত দুটি ট্রাকও জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কোস্ট গার্ডের গণমাধ্যম কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সীতাকুণ্ড থানার বাঁশবাড়িয়া ঘাটসংলগ্ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড স্টেশন ভাটিয়ারী। অভিযানকালে দেখা যায়, ট্রাক থেকে কার্গো বোটে সার তুলে অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। পরে সেখান থেকে প্রায় ২১ লাখ টাকা মূল্যের ৬০০ বস্তা (৩০ হাজার কেজি) ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
অভিযান থেকে সার পাচারের অভিযোগে দুই পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সার পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, আটক ব্যক্তি, জব্দ করা সার ও ট্রাকগুলোর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলে চোরাচালান বন্ধে কোস্ট গার্ডের এমন বিশেষ নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন