সংবাদ

যশোরে প্রাথমিকে ভেরিফিকেশনে বাদ ১০৬ প্রার্থী, ডিসি কার্যালয়ে বিক্ষোভ


প্রতিনিধি, বেনাপোল (যশোর)
প্রতিনিধি, বেনাপোল (যশোর)
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৪ এএম

যশোরে প্রাথমিকে ভেরিফিকেশনে বাদ ১০৬ প্রার্থী, ডিসি কার্যালয়ে বিক্ষোভ
ছবি : সংবাদ

যশোরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ২৯০ জনের মধ্যে ১০৬ প্রার্থীকে পুলিশ ও গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। এর প্রতিবাদে এবং পুনঃযাচাইয়ের দাবিতে শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর)  সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ পালন করেছেন ভুক্তভোগী প্রার্থীরা।

সুপারিশপ্রাপ্তদের অভিযোগ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর মেডিক্যাল সার্টিফিকেটসহ সব কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ না জানিয়ে অযৌক্তিকভাবে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রার্থীরা প্রশ্ন তোলেন, যদি মেধার ভিত্তিতেই চাকরি হয়, তবে সুপারিশ পাওয়ার পর রাজনৈতিক বা গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের নামে কেন তাদের স্বপ্ন ভঙ্গ করা হলো? অনেক প্রার্থী ও অভিভাবক কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং বলেন, কোনো রাজনীতি না করা সত্ত্বেও তাদের সঙ্গে এমন অন্যায় করা হয়েছে।

এদিন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক কর্মসূচিতে আসা যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের পথ আটকে ভুক্তভোগীরা তাদের দুর্দশার কথা জানান। পরে প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে বলেন, জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যার সমাধান বা বাদ দেওয়ার কারণ জানানো হবে। অন্যদিকে এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বা জেলা প্রশাসকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


যশোরে প্রাথমিকে ভেরিফিকেশনে বাদ ১০৬ প্রার্থী, ডিসি কার্যালয়ে বিক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

যশোরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ২৯০ জনের মধ্যে ১০৬ প্রার্থীকে পুলিশ ও গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। এর প্রতিবাদে এবং পুনঃযাচাইয়ের দাবিতে শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর)  সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ পালন করেছেন ভুক্তভোগী প্রার্থীরা।

সুপারিশপ্রাপ্তদের অভিযোগ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর মেডিক্যাল সার্টিফিকেটসহ সব কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ না জানিয়ে অযৌক্তিকভাবে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রার্থীরা প্রশ্ন তোলেন, যদি মেধার ভিত্তিতেই চাকরি হয়, তবে সুপারিশ পাওয়ার পর রাজনৈতিক বা গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের নামে কেন তাদের স্বপ্ন ভঙ্গ করা হলো? অনেক প্রার্থী ও অভিভাবক কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং বলেন, কোনো রাজনীতি না করা সত্ত্বেও তাদের সঙ্গে এমন অন্যায় করা হয়েছে।

এদিন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক কর্মসূচিতে আসা যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের পথ আটকে ভুক্তভোগীরা তাদের দুর্দশার কথা জানান। পরে প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে বলেন, জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যার সমাধান বা বাদ দেওয়ার কারণ জানানো হবে। অন্যদিকে এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বা জেলা প্রশাসকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত