বরিশালে অস্ত্রোপচারের (সিজার) সময় ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে নাজিয়া রহমান মাইশা (২৬) নামের এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নগরের রাহাত আনোয়ার হাসপাতালের গাইনি চিকিৎসক তহুরা আক্তার ও অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহতের বোন আফিয়া রহমান কোতোয়ালি মডেল থানায় এই অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে প্রসববেদনা নিয়ে নাজিয়া রহমানকে রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক তহুরা আক্তারের তত্ত্বাবধানে সিজারের আগে অ্যানেস্থেসিয়া (অবশ করার ইনজেকশন) দেওয়ার পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরবর্তীতে সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হলেও রোগীর অবস্থার আরও অবক্ষয় ঘটে।
স্বজনদের দাবি, আশঙ্কাজনক অবস্থার কথা জানালেও চিকিৎসকরা সঠিক ব্যবস্থা না নিয়ে সময়ক্ষেপণ করেন। পরে রোগীকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, প্রসূতির পরিবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে দোষ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বরিশালে অস্ত্রোপচারের (সিজার) সময় ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে নাজিয়া রহমান মাইশা (২৬) নামের এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নগরের রাহাত আনোয়ার হাসপাতালের গাইনি চিকিৎসক তহুরা আক্তার ও অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহতের বোন আফিয়া রহমান কোতোয়ালি মডেল থানায় এই অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে প্রসববেদনা নিয়ে নাজিয়া রহমানকে রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক তহুরা আক্তারের তত্ত্বাবধানে সিজারের আগে অ্যানেস্থেসিয়া (অবশ করার ইনজেকশন) দেওয়ার পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরবর্তীতে সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হলেও রোগীর অবস্থার আরও অবক্ষয় ঘটে।
স্বজনদের দাবি, আশঙ্কাজনক অবস্থার কথা জানালেও চিকিৎসকরা সঠিক ব্যবস্থা না নিয়ে সময়ক্ষেপণ করেন। পরে রোগীকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, প্রসূতির পরিবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে দোষ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন