সংবাদ

বাগেরহাটে বস্তাবন্দী শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার, আটক ৩


প্রতিনিধি, বাগেরহাট
প্রতিনিধি, বাগেরহাট
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ এএম

বাগেরহাটে বস্তাবন্দী শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার, আটক ৩
ছবি : সংবাদ

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় মুসলিমা আক্তার (৭) নামের এক শিশুমেয়ের বস্তাবন্দী গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার একটি মাছের ঘেরের পার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মুসলিমা আক্তার কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার ইসলাম শেখের মেয়ে।

স্থনীয়দের বরাতে মোল্লাহাট থানা পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেলে অন্য শিশুদের সঙ্গে বাড়ির চারপাশে খেলছিল মুসলিমা আক্তার। একপর্যায়ে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্ধ্যার পর খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে মাছের ঘেরের পাড়ে একটি বস্তা দেখতে পান স্থানীয়রা। সেটির ভেতরে শিশুর মরদেহ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে গলা কেটে হত্যার পর মরদেহ বস্তায় ভরে সেখানে রেখে যাওয়া হয়।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শনিবার রাতেই জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যক্তি ও তার দুই ছেলেকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মোল্লাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমনা আইরিন জানান, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ কিছু গ্রামবাসী পুলিশ হেফাজতে থাকা জাহাঙ্গীরের বসতবাড়ি ও পানের বরজে অগ্নিসংযোগ করেন। এর ফলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা ও থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বাগেরহাটে বস্তাবন্দী শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার, আটক ৩

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় মুসলিমা আক্তার (৭) নামের এক শিশুমেয়ের বস্তাবন্দী গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার একটি মাছের ঘেরের পার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মুসলিমা আক্তার কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার ইসলাম শেখের মেয়ে।

স্থনীয়দের বরাতে মোল্লাহাট থানা পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেলে অন্য শিশুদের সঙ্গে বাড়ির চারপাশে খেলছিল মুসলিমা আক্তার। একপর্যায়ে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্ধ্যার পর খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে মাছের ঘেরের পাড়ে একটি বস্তা দেখতে পান স্থানীয়রা। সেটির ভেতরে শিশুর মরদেহ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে গলা কেটে হত্যার পর মরদেহ বস্তায় ভরে সেখানে রেখে যাওয়া হয়।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শনিবার রাতেই জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যক্তি ও তার দুই ছেলেকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মোল্লাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমনা আইরিন জানান, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ কিছু গ্রামবাসী পুলিশ হেফাজতে থাকা জাহাঙ্গীরের বসতবাড়ি ও পানের বরজে অগ্নিসংযোগ করেন। এর ফলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা ও থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত