সংবাদ

শার্শায় এক সপ্তাহে শিশুসহ ২২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত, হাসপাতালে ভোগান্তি


প্রতিনিধি, বেনাপোল (যশোর)
প্রতিনিধি, বেনাপোল (যশোর)
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৪ এএম

শার্শায় এক সপ্তাহে শিশুসহ ২২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত, হাসপাতালে ভোগান্তি
ছবি : সংবাদ

যশোরের সীমান্ত এলাকা শার্শা ও বেনাপোলে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে। গত এক সপ্তাহে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই শিশুসহ ২২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া অনেকে বাসাবাড়ি ও বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

বন্দরনগরী বেনাপোলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক পণ্যবাহী ট্রাক ও দূরপাল্লার বাস চলাচল করায় যানবাহনের মাধ্যমে মশা ছড়ানোর আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বন্দর ও প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল এলাকায় রেগুলার মশার ওষুধ স্প্রে করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এসে তীব্র ভোগান্তির অভিযোগ করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনেরা। তাদের অভিযোগ, হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই, ফ্যান ও লাইট ঠিকমতো চলে না। তীব্র গরমে বাসা থেকে ফ্যান এনে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে তাদের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তৌফিক পারভেজ জানান, হাসপাতালে গত সপ্তাহের তুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। সবাইকে বাসাবাড়িতে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করা ও মশারি ব্যবহারের অনুরোধ জানান তিনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ বলেন, শার্শা ও বেনাপোল পৌর এলাকাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালে স্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় উপকরণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শার্শায় এক সপ্তাহে শিশুসহ ২২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত, হাসপাতালে ভোগান্তি

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

যশোরের সীমান্ত এলাকা শার্শা ও বেনাপোলে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে। গত এক সপ্তাহে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই শিশুসহ ২২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া অনেকে বাসাবাড়ি ও বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

বন্দরনগরী বেনাপোলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক পণ্যবাহী ট্রাক ও দূরপাল্লার বাস চলাচল করায় যানবাহনের মাধ্যমে মশা ছড়ানোর আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বন্দর ও প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল এলাকায় রেগুলার মশার ওষুধ স্প্রে করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এসে তীব্র ভোগান্তির অভিযোগ করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনেরা। তাদের অভিযোগ, হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই, ফ্যান ও লাইট ঠিকমতো চলে না। তীব্র গরমে বাসা থেকে ফ্যান এনে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে তাদের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তৌফিক পারভেজ জানান, হাসপাতালে গত সপ্তাহের তুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। সবাইকে বাসাবাড়িতে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করা ও মশারি ব্যবহারের অনুরোধ জানান তিনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ বলেন, শার্শা ও বেনাপোল পৌর এলাকাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালে স্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় উপকরণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত