যথাযোগ্য মর্যাদায় ঢাকার দোহার উপজেলার নারিশা এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম খলিল সবুজের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তিনি নারিশা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর উপজেলার নারিশা পশ্চিমচর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নওশীন আরিফ ও দোহার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুন্নবী ইসলাম তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা (গার্ড অব অনার) প্রদান করেন। জানাজা শেষে তাকে নারিশা হোসানিয়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এর আগে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে নিজ বাড়িতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম খলিল সবুজ একাধারে সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শুভাকাঙ্ক্ষী, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যথাযোগ্য মর্যাদায় ঢাকার দোহার উপজেলার নারিশা এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম খলিল সবুজের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তিনি নারিশা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর উপজেলার নারিশা পশ্চিমচর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নওশীন আরিফ ও দোহার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুন্নবী ইসলাম তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা (গার্ড অব অনার) প্রদান করেন। জানাজা শেষে তাকে নারিশা হোসানিয়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এর আগে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে নিজ বাড়িতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম খলিল সবুজ একাধারে সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শুভাকাঙ্ক্ষী, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন