যশোরের রেলবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইনভিত্তিক প্রতারণা ও বিদেশি পরিচয়পত্রসহ জাল নথি তৈরির অভিযোগে একটি চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছেন র্যাব-৬ (যশোর) সদস্যরা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রেলবাজার এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে এই অভিযান চালানো হয়। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে বিভিন্ন দেশের নকল ড্রাইভিং লাইসেন্স, জাল জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ভুয়া ভোটার আইডি কার্ড এবং অনলাইন জালিয়াতিতে ব্যবহৃত কম্পিউটারসহ নানা সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
আটকৃতরা হলেন- ঝিনাইদহের সদর উপজেলার আল মুছাব্বির রিয়াদ, মহেশপুর উপজেলার ফাহিম সাদিক ও সিয়াম আলী এবং যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার রাসেল হোসেন।
র্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার মেজর এটিএম ফজলে রাব্বি প্রিন্স জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে রেলবাজার এলাকার লাল মিয়ার একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।
তাদের মূল লক্ষ্য ছিল বিদেশগামী সাধারণ মানুষ। চক্রটি বিদেশি নাগরিকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স, পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্ডের তথ্য হ্যাক বা সংগ্রহ করত। এরপর সেসব নথিতে বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের ছবি ও তথ্য বসিয়ে নকল নথি তৈরি করত। পরবর্তী সময়ে এসব ভূয়া নথি চড়া দামে বিদেশগমনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কাছে বিক্রি করা হতো।
র্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা অনলাইন প্রতারণা ও ভুয়া কাগজপত্র তৈরির কথা স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোরের রেলবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইনভিত্তিক প্রতারণা ও বিদেশি পরিচয়পত্রসহ জাল নথি তৈরির অভিযোগে একটি চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছেন র্যাব-৬ (যশোর) সদস্যরা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রেলবাজার এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে এই অভিযান চালানো হয়। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে বিভিন্ন দেশের নকল ড্রাইভিং লাইসেন্স, জাল জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ভুয়া ভোটার আইডি কার্ড এবং অনলাইন জালিয়াতিতে ব্যবহৃত কম্পিউটারসহ নানা সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
আটকৃতরা হলেন- ঝিনাইদহের সদর উপজেলার আল মুছাব্বির রিয়াদ, মহেশপুর উপজেলার ফাহিম সাদিক ও সিয়াম আলী এবং যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার রাসেল হোসেন।
র্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার মেজর এটিএম ফজলে রাব্বি প্রিন্স জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে রেলবাজার এলাকার লাল মিয়ার একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।
তাদের মূল লক্ষ্য ছিল বিদেশগামী সাধারণ মানুষ। চক্রটি বিদেশি নাগরিকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স, পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্ডের তথ্য হ্যাক বা সংগ্রহ করত। এরপর সেসব নথিতে বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের ছবি ও তথ্য বসিয়ে নকল নথি তৈরি করত। পরবর্তী সময়ে এসব ভূয়া নথি চড়া দামে বিদেশগমনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কাছে বিক্রি করা হতো।
র্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা অনলাইন প্রতারণা ও ভুয়া কাগজপত্র তৈরির কথা স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন