কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ক্যাফেটেরিয়া ও লাইব্রেরিতে বসাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার নিশ্চিত করেছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্রক্টর কার্যালয়, প্রকৌশল অনুষদ ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল প্রাঙ্গণে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, লাইব্রেরিতে আসন বসানোকে কেন্দ্র করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), প্রত্নতত্ত্ব এবং নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি ও বিরোধের সূত্রপাত হয়। বিষয়টি মীমাংসার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের প্রক্টর কার্যালয়ে ডাকা হয়। সেখানে আলোচনা শেষে বের হওয়ার পর প্রক্টর কার্যালয়ের সামনেই দুই পক্ষ আবার মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এরপর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
একপর্যায়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী আত্মরক্ষার্থে প্রকৌশল অনুষদে আশ্রয় নেন। সেখানেও চরম উত্তেজনা দেখা দেয় এবং অনুষদ থেকে বের হওয়ার সময় পুনরায় সংঘর্ষ বাঁধে। পরে এক পক্ষের কিছু শিক্ষার্থী শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে গেলে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ হয়।
ঘটনায় ক্যাম্পাসে চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনার সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা একাধিক স্থানে অবস্থান নেন।
কুবি মেডিকেল সেন্টারের ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মাহমুদুল হাসান খান জানান, মারামারিতে আহত অবস্থায় ১০ জন শিক্ষার্থী মেডিকেলে এসেছিলেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘প্রথমে বিবাদটি প্রক্টর কার্যালয়ে সমাধান করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে আবার গেটে এবং দত্ত হলে সংঘর্ষে জড়ায় তারা। ক্যাম্পাসের সিসিটিভি ফুটেজ ও সংগৃহীত ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের চিহ্নিত করা হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ক্যাফেটেরিয়া ও লাইব্রেরিতে বসাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার নিশ্চিত করেছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্রক্টর কার্যালয়, প্রকৌশল অনুষদ ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল প্রাঙ্গণে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, লাইব্রেরিতে আসন বসানোকে কেন্দ্র করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), প্রত্নতত্ত্ব এবং নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি ও বিরোধের সূত্রপাত হয়। বিষয়টি মীমাংসার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের প্রক্টর কার্যালয়ে ডাকা হয়। সেখানে আলোচনা শেষে বের হওয়ার পর প্রক্টর কার্যালয়ের সামনেই দুই পক্ষ আবার মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এরপর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
একপর্যায়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী আত্মরক্ষার্থে প্রকৌশল অনুষদে আশ্রয় নেন। সেখানেও চরম উত্তেজনা দেখা দেয় এবং অনুষদ থেকে বের হওয়ার সময় পুনরায় সংঘর্ষ বাঁধে। পরে এক পক্ষের কিছু শিক্ষার্থী শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে গেলে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ হয়।
ঘটনায় ক্যাম্পাসে চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনার সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা একাধিক স্থানে অবস্থান নেন।
কুবি মেডিকেল সেন্টারের ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মাহমুদুল হাসান খান জানান, মারামারিতে আহত অবস্থায় ১০ জন শিক্ষার্থী মেডিকেলে এসেছিলেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘প্রথমে বিবাদটি প্রক্টর কার্যালয়ে সমাধান করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে আবার গেটে এবং দত্ত হলে সংঘর্ষে জড়ায় তারা। ক্যাম্পাসের সিসিটিভি ফুটেজ ও সংগৃহীত ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের চিহ্নিত করা হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন